৩৯/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৩৪৪ - জালিম শাসকের সামনে ন্যায় কথা
আদেশ ও নিষেধ সম্পর্কে
জালিম শাসকের সামনে ন্যায় কথা বলা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৩৪৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৩৪৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَادَةَ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ هَارُونَ - أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ، عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " أَفْضَلُ الْجِهَادِ كَلِمَةُ عَدْلٍ عِنْدَ سُلْطَانٍ جَائِرٍ " . أَوْ " أَمِيرٍ جَائِرٍ " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ স্বৈরাচারী বাদশাহ বা স্বৈরাচারী শাসকের সামনে ন্যায়সঙ্গত কথা বলা উত্তম জিহাদ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৩৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ন্যায় কথা বলার একটি বড় মর্যাদা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্বৈরাচারী বাদশা বা জালিম শাসকের সামনে ন্যায়সঙ্গত কথা বলা উত্তম জিহাদ। এখানে মূল বিষয় হলো অন্যায়ের সামনে সত্য ও ন্যায়কে লুকিয়ে না রাখা। তবে হাদিসের ভাষা শান্ত, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ন্যায়ের কথা বলার ওপর নির্ভরশীল। এতে ব্যক্তিগত রাগ, বিশৃঙ্খলা বা অন্যায় আচরণের অনুমতি নেই; বরং ন্যায়সঙ্গত কথা বলার মর্যাদা বোঝানো হয়েছে। ফিতনার সময়ে মানুষ যখন চুপ থাকে বা অন্যায়কে মানিয়ে নেয়, তখন সত্য কথা বলা কঠিন হতে পারে। তাই এই হাদিস ন্যায়, সাহস এবং দায়িত্ববোধের শিক্ষা দেয়। ইসলামী স্কলারদের মতে, এমন কথা বলার ক্ষেত্রেও জ্ঞান, হিকমাহ ও ক্ষতি-লাভের বিবেচনা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ন্যায়ের কথা বলা একটি বড় দ্বীনি দায়িত্ব।
- জালিমের সামনে সত্য বলা কঠিন হলেও তা মর্যাদাপূর্ণ কাজ।
- হাদিসে ন্যায়সঙ্গত কথার কথা এসেছে, অযথা উত্তেজনা বা বিশৃঙ্খলার কথা নয়।
- অন্যায়ের সামনে চুপ থাকার বদলে সঠিক পদ্ধতিতে সত্য বলা মূল্যবান।
