৪০/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৩৬৫ - উরাইনাহ ঘটনার আরেক বর্ণনা
বিদ্রোহ
উরাইনাহ ঘটনার শাস্তির আরেক বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৩৬৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৩৬৫
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ أَيُّوبَ، بِإِسْنَادِهِ بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ فِيهِ فَأَمَرَ بِمَسَامِيرَ فَأُحْمِيَتْ فَكَحَلَهُمْ وَقَطَّعَ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ وَمَا حَسَمَهُمْ .
আইয়ূব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আইয়ুব (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর (ﷺ) আদেশে লৌহ শলাকা উত্তপ্ত করা হয়, তাদের চোখে ফুঁড়ে দেয়া হয়, হাত-পা কেটে দেয়া হয়, এবং তাদের রক্তপ্রবাহ বন্ধ করেননি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৩৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের ঘটনারই অনুরূপ বর্ণনা। এখানে আইয়ূব রাঃ সূত্রে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আদেশে লৌহ শলাকা উত্তপ্ত করা হয়, তাদের চোখে ফুঁড়ে দেওয়া হয়, হাত-পা কেটে দেওয়া হয় এবং তাদের রক্তপ্রবাহ বন্ধ করা হয়নি। হাদিসটি আলাদা নতুন ঘটনা নয়; বরং উরাইনাহ বা উক্ল গোত্রের ঘটনাটির আরেকটি বর্ণনা। তাই ব্যাখ্যা করতে হলে আগের মূল ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে বুঝতে হয়: তারা সুস্থ হওয়ার পর রাখালকে হত্যা করেছিল, উট নিয়ে পালিয়েছিল, ঈমান আনার পর কুফরি করেছিল এবং আল্লাহ ও রাসূলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল। এই বর্ণনা মূলত শাস্তির ধরন সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়। হাদিসের ভাষা কঠিন, তাই এটিকে সাধারণ অপরাধের মতো নয়; বরং বহু বড় অপরাধের ঘটনার অংশ হিসেবে পড়তে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা আগের ঘটনারই অতিরিক্ত বিবরণ দেয়।
- শাস্তির কথা বুঝতে হলে অপরাধগুলোর ধরনও মনে রাখতে হবে।
- হত্যা, চুরি ও বিদ্রোহ একসঙ্গে ঘটেছিল বলে বিষয়টি কঠিন হয়েছে।
- হাদিসটি অপরাধের ভয়াবহ ফল সম্পর্কে সতর্ক করে।
