৪০/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪০৬ - যুদ্ধের অনুমতি ও বয়সসীমা
নাবালকের অপরাধের শাস্তি
যুদ্ধে অংশগ্রহণের বয়স নিয়ে হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৪০৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৪০৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ عُرِضَهُ يَوْمَ أُحُدٍ وَهُوَ ابْنُ أَرْبَعَ عَشْرَةَ سَنَةً فَلَمْ يُجِزْهُ وَعُرِضَهُ يَوْمَ الْخَنْدَقِ وَهُوَ ابْنُ خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً فَأَجَازَهُ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উহুদ যুদ্ধের সময় তাকে নবী (ﷺ) এর নিকট হাজির করা হয়। তখন তিনি চৌদ্দ বছরের বালক ছিলেন। তিনি তাকে অনুমতি দেননি। আবার খন্দক যুদ্ধের সময়ও তাকে হাজির করা হয়। তখন তিনি ছিলেন পনেরো বছরের তরুণ। তখন তিনি তাকে (যুদ্ধ করার) অনুমতি দেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ)-এর ঘটনা এসেছে। উহুদ যুদ্ধের সময় তাকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে আনা হয়। তখন তিনি চৌদ্দ বছরের বালক ছিলেন, তাই তাকে যুদ্ধের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে খন্দক যুদ্ধের সময় তাকে আবার আনা হয়। তখন তিনি পনেরো বছরের তরুণ ছিলেন, ফলে তাকে অনুমতি দেওয়া হয়। এই বর্ণনায় প্রাপ্তবয়স্কতা, দায়িত্ব নেওয়ার সক্ষমতা এবং বয়সসীমা নিয়ে একটি স্পষ্ট দিক পাওয়া যায়। হাদিসটি দেখায়, নবী (صلى الله عليه وسلم) বয়স ও সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তাই দায়িত্বপূর্ণ কাজে অংশ নিতে শুধু আগ্রহ নয়, উপযুক্ত অবস্থাও দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দায়িত্বপূর্ণ কাজে বয়স ও সক্ষমতা বিবেচনা করা হয়।
- চৌদ্দ বছর বয়সে অনুমতি না দেওয়া এবং পনেরোতে দেওয়া হয়েছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) সিদ্ধান্তে বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করতেন।
