৪২/৮. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৬২৭ - সাহাবীদের মর্যাদার ক্রম

সাহাবীদের (রাঃ) ফজিলত সম্পর্কে

সাহাবীদের মর্যাদায় আবু বকর, উমর ও উসমান

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৬২৭

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كُنَّا نَقُولُ فِي زَمَنِ النَّبِيِّ ﷺ لاَ نَعْدِلُ بِأَبِي بَكْرٍ أَحَدًا ثُمَّ عُمَرَ ثُمَّ عُثْمَانَ ثُمَّ نَتْرُكُ أَصْحَابَ النَّبِيِّ ﷺ لاَ تَفَاضُلَ بَيْنَهُمْ .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা নবী (ﷺ)-এর যুগে বলতাম, আমরা আবূ বাক্‌র (রাঃ) -এর সমকক্ষ কাউকে গণ্য করবো না। অতঃপর ‘উমর, এরপর ‘উসমান, এরপর আমরা নবী (ﷺ)- এর সাহাবীগণের মধ্যে কোনরূপ মর্যাদার তারতম্য করবো না।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৬২৭-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগে তারা বলতেন, আবু বকর (রাঃ)-এর সমকক্ষ কাউকে গণ্য করতেন না। এরপর উমর (রাঃ), এরপর উসমান (রাঃ)-এর মর্যাদা উল্লেখ করা হতো। তারপর নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর অন্যান্য সাহাবীদের মধ্যে মর্যাদার তারতম্য করা হতো না। এখানে সাহাবীদের মর্যাদা বিষয়ে একটি সুন্দর আদব দেখা যায়। প্রথম তিন খলিফার বিশেষ মর্যাদা উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু বাকি সাহাবীদের বিষয়ে অযথা তুলনা করা হয়নি। সাহাবীদের মর্যাদা আলোচনা করতে হলে সম্মান, ভারসাম্য এবং সীমা বজায় রাখা জরুরি। এই বর্ণনা সাহাবীদের প্রতি ভালো ধারণা রাখার শিক্ষা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আবু বকর, উমর ও উসমান (রাঃ)-এর বিশেষ মর্যাদা সাহাবীদের মধ্যে পরিচিত ছিল।
  • সাহাবীদের নিয়ে অযথা তুলনা ও বিতর্ক এড়িয়ে চলা ভালো।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সাহাবীদের সম্মান করা মুসলিমদের আদবের অংশ।
  • মর্যাদার কথা বললেও ভাষায় ভারসাম্য রাখা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন