৪২/১৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭১৯ - শয়তানের প্রভাব সম্পর্কে সতর্কতা
মুশরিকদের শিশু সন্তান সম্পর্কে
শয়তান মানুষের মধ্যে কীভাবে প্রভাব ফেলে
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৭১৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৭১৯
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِي مِنِ ابْنِ آدَمَ مَجْرَى الدَّمِ " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ শয়তান আদম সন্তানের শিরা-উপশিরায় রক্তের ন্যায় প্রবাহিত হয়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, শয়তান আদম সন্তানের শিরা-উপশিরায় রক্তের মতো প্রবাহিত হয়। এটি মানুষের অন্তরের ওয়াসওয়াসা ও শয়তানের ঘনিষ্ঠ প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করে। রক্ত যেমন দেহের ভেতরে চলে, মানুষ তা চোখে দেখে না; তেমনি শয়তানের প্রভাবও অনেক সময় ভেতর থেকে আসে। হাদিসটি মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য নয়, বরং সতর্ক রাখার জন্য। নিজের চিন্তা, সন্দেহ, রাগ, খারাপ ইচ্ছা ও ভুল পথে টান—এসব বিষয়ে মানুষকে সাবধান থাকতে হয়। আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া, নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সন্দেহজনক পথ থেকে দূরে থাকা—এই হাদিসের সহজ শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শয়তানের প্রভাব অনেক সময় ভেতর থেকে আসে।
- খারাপ চিন্তা ও ওয়াসওয়াসার ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার।
- মানুষকে নিজের অন্তরের অবস্থাও খেয়াল করতে হয়।
- শয়তানের প্রভাব থেকে বাঁচতে আল্লাহর আশ্রয় প্রয়োজন।
