৪৩/৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭৯৭ - লজ্জাহীনতার কঠিন সতর্কতা
লজ্জাশীলতা
লজ্জাহীন হলে মানুষ সীমা ছাড়ায়
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৭৯৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৭৯৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلاَمِ النُّبُوَّةِ الأُولَى إِذَا لَمْ تَسْتَحِ فَافْعَلْ مَا شِئْتَ» .
আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পূর্বযুগের নবীগণের যে কথাটি মানুষের নিকট পৌঁছেছে তা হলোঃ যখন তুমি নির্লজ্জ হবে তখন যা ইচ্ছা তাই করতে পারো।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পূর্বযুগের নবীদের শিক্ষা থেকে একটি গভীর কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, মানুষের কাছে আগের নবীদের কথার মধ্যে যে বাণী পৌঁছেছে তা হলো, ‘যখন তুমি নির্লজ্জ হবে, তখন যা ইচ্ছা তাই করো।’ এখানে কথাটি অনুমতি দেওয়ার অর্থে নয়; বরং কঠিন সতর্কতা হিসেবে বোঝানো হয়েছে। লজ্জা মানুষকে খারাপ কাজ থেকে থামায়। যখন কারও ভেতর ভালো লজ্জা থাকে না, তখন সে কথা, কাজ ও আচরণে সীমা ছাড়াতে পারে। তাই লজ্জাহীনতা শুধু একটি স্বভাবের সমস্যা নয়; এটি চরিত্রের বড় ক্ষতি। এই হাদিস আমাদের শেখায়, লজ্জাশীলতা ধরে রাখা ঈমানি চরিত্রের জন্য দরকারি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জা মানুষকে খারাপ কাজ থেকে থামাতে সাহায্য করে।
- লজ্জাহীনতা মানুষকে সীমা ছাড়ানো আচরণের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
- হাদিসের বাক্যটি সতর্কতা হিসেবে বোঝা উচিত।
- ভালো লজ্জা চরিত্র রক্ষার একটি বড় উপায়।
