৪৩/৫৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯০৭ - অভিশাপকারীর মর্যাদা হারানোর ভয়
অভিশাপ দেয়া সম্পর্কে
অভিশাপকারীরা সুপারিশকারী হবে না
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৯০৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৯০৭
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَبِي الزَّرْقَاءِ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، وَزَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، أَنَّ أُمَّ الدَّرْدَاءِ، قَالَتْ سَمِعْتُ أَبَا الدَّرْدَاءِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ " لاَ يَكُونُ اللَّعَّانُونَ شُفَعَاءَ وَلاَ شُهَدَاءَ " .
আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছিঃ অভিশম্পাতকারীরা (কেয়ামতে) সুপারিশকারী হতে পারবে না এবং সাক্ষীদাতাও হতে পারবে না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯০৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে অভিশাপ দেওয়ার অভ্যাসের বড় ক্ষতি বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, অভিশাপকারীরা সুপারিশকারী হতে পারবে না এবং সাক্ষীদাতাও হতে পারবে না। হাদিসটি আমাদের জানায়, লানত করা শুধু মুখের একটি কঠিন শব্দ নয়; এটি মানুষের চরিত্র ও মর্যাদার সঙ্গে জড়িত। যে ব্যক্তি কথায় কথায় অভিশাপ দেয়, সে নিজেকে এমন অবস্থায় নিয়ে যায় যেখানে তার সম্মানিত ভূমিকা নষ্ট হতে পারে। মুসলিমের জিহ্বা হওয়া উচিত শান্ত, নরম এবং নিয়ন্ত্রিত। অন্যের ভুল দেখে রাগ হতে পারে, কিন্তু অভিশাপকে অভ্যাস বানানো নববী চরিত্রের সঙ্গে যায় না। এই হাদিস তাই জিহ্বার হেফাজত ও সুন্দর আচরণের শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অভিশাপ দেওয়া অভ্যাসে পরিণত করা বিপজ্জনক।
- লানত মানুষের মর্যাদা ও উত্তম ভূমিকার ক্ষতি করতে পারে।
- মুসলিমের ভাষা হওয়া উচিত সংযত ও ভদ্র।
- রাগের সময়ও অভিশাপ না দিয়ে নিজেকে থামানো দরকার।
