৪৩/৫৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯০৯ - চোরকে লানত না করার সতর্কতা
যে ব্যক্তি অত্যাচারীকে বদদোয়া করে
চোরকে লানত নয়: রাগের সময় সংযম
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৯০৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৯০৯
حَدَّثَنَا ابْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَبِيبٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ سُرِقَ لَهَا شَىْءٌ فَجَعَلَتْ تَدْعُو عَلَيْهِ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تُسَبِّخِي عَنْهُ " .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, তাঁর কিছু জিনিস চুরি হওয়ায় তিনি চোরকে লানত দিতে থাকলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেনঃ তুমি চোরের আযাব কম করো না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় দেখা যায়, কিছু জিনিস চুরি হওয়ায় আয়িশা রা. চোরকে লানত দিতে থাকলেন। তখন রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁকে বললেন, তুমি চোরের আযাব কম করো না। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, তাই এর ব্যাখ্যাও সীমার মধ্যে রাখা উচিত। এখানে মূল শিক্ষা হলো, অন্যায় হলে কষ্ট পাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু সেই কষ্টে বারবার অভিশাপ দেওয়া সঠিক পথ নয়। চুরি অবশ্যই অন্যায়, তবে অন্যায়ের প্রতিক্রিয়ায় নিজের জিহ্বাকে অভিশাপে ভরে ফেলা মুসলিমের জন্য ভালো নয়। এই হাদিস রাগ, ক্ষতি ও কষ্টের মুহূর্তে ভাষা সামলানোর শিক্ষা দেয়। বিচার আল্লাহর হাতে, আর বান্দার কাজ হলো সংযম রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যায় হলে কষ্ট হতে পারে, তবে লানতকে অভ্যাস করা উচিত নয়।
- চুরি বড় অন্যায়, কিন্তু প্রতিক্রিয়ায় জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ দরকার।
- রাগের সময় অভিশাপের বদলে সংযম রাখা উত্তম।
- আল্লাহর বিচারকে সামনে রেখে অতিরিক্ত কথাবার্তা থেকে বাঁচা দরকার।
