৪৩/৬০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯২৬ - বাদ্যশব্দের বর্ণনায় সতর্কতা
সঙ্গীত ও বাঁশি বাজানো নিন্দনীয়
বাদ্যশব্দের হাদিসে আবু দাউদের সতর্ক মন্তব্য
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৯২৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৯২৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الْمَلِيحِ، عَنْ مَيْمُونٍ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ كُنَّا مَعَ ابْنِ عُمَرَ فَسَمِعَ صَوْتَ، زَامِرٍ فَذَكَرَ نَحْوَهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا أَنْكَرُهَا .
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা আমরা ইবনু’ উমর (রাঃ) সঙ্গে ছিলাম। তিনি বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ শুনতে পেলেন ... অতঃপর পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ।
ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, এটি অধিকতর মুনকার।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নাফি‘ (রহঃ) বলেন, তারা ইবনু উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলেন। তখন ইবনু উমর (রাঃ) একজন বাদ্যযন্ত্র বাজানো ব্যক্তির শব্দ শুনলেন। এরপর আগের হাদিসের মতো ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ কান বন্ধ করা, পথ থেকে সরে থাকা এবং শব্দ না শোনা পর্যন্ত অপেক্ষা করার বিষয়টি এখানে সংক্ষেপে এসেছে। কিন্তু এই বর্ণনার শেষে ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, “এটি অধিকতর মুনকার।” এই মন্তব্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হাদিসের ভাষায় ঘটনা থাকলেও, বর্ণনার মান নিয়ে স্পষ্ট সতর্কতা আছে। তাই “বাদ্যযন্ত্রের শব্দ” বিষয়ে এই বর্ণনা ব্যবহার করলে সতর্ক ভাষা রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনার শেষে থাকা মুহাদ্দিসের মন্তব্য অবহেলা করা উচিত নয়।
- হাদিস পড়ার সময় শুধু অনুবাদ নয়, মানের কথাও দেখা দরকার।
- একই বিষয়ের একাধিক বর্ণনা থাকলে তুলনা করে বোঝা ভালো।
- অতিরঞ্জিত দাবি না করে সতর্ক ব্যাখ্যা দেওয়া নিরাপদ।
