৪৩/১০১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫০৩৮ - অমুসলিমের হাঁচির জবাব
যিম্মীর হাঁচির জবাব কিভাবে দিবে?
অমুসলিম হাঁচি দিলে নববী জবাব
সুনানে আবূ দাউদ : ৫০৩৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫০৩৮
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ الدَّيْلَمِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَتِ الْيَهُودُ تَعَاطَسُ عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ رَجَاءَ أَنْ يَقُولَ لَهَا يَرْحَمُكُمُ اللَّهُ فَكَانَ يَقُولُ " يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ ".
আবূ বুরদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইয়াহুদীরা নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে এই আশায় ইচ্ছাকৃতভাবেই হাঁচি দিতো যে, তিনি তাদের হাঁচির জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহু’ বলবেন। কিন্তু তিনি বলতেনঃ ‘ইয়াহ্দিকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বালাকুম’।
[৫০৩৬]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫০৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, ইহুদীরা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে এসে ইচ্ছাকৃতভাবে হাঁচি দিত, আশায় থাকত তিনি তাদের জন্য “ইয়ারহামুকুমুল্লাহ” বলবেন। কিন্তু তিনি বলতেন: “ইয়াহদিকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বালাকুম”—আল্লাহ তোমাদের সঠিক পথ দেখান এবং তোমাদের অবস্থা ঠিক করে দিন। এখানে দোয়ার আদবের একটি বিশেষ দিক দেখা যায়। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাদেরকে উপেক্ষা করেননি; বরং হিদায়াত ও সংশোধনের দোয়া করেছেন। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, কথার জবাবেও প্রজ্ঞা দরকার। কার জন্য কোন দোয়া বলা হবে, তা নববী নির্দেশনা অনুযায়ী হওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অমুসলিমের হাঁচির জবাবে হিদায়াত ও সংশোধনের দোয়া এসেছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রজ্ঞার সঙ্গে জবাব দিতেন।
- দোয়ার ভাষা পরিস্থিতি অনুযায়ী হতে পারে।
- কথার জবাবে শালীনতা ও নববী আদব রাখা দরকার।
