৪৩/১২৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১২৮ - পরামর্শদাতা আমানতদার
পরামর্শ করা
পরামর্শদাতা আমানতদার: সততার নববী শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৫১২৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫১২৮
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «الْمُسْتَشَارُ مُؤْتَمَنٌ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পরামর্শদাতা একজন আমানতদার।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, “পরামর্শদাতা একজন আমানতদার।” অর্থাৎ কেউ যখন কারও কাছে পরামর্শ চায়, তখন পরামর্শদাতার ওপর একটি দায়িত্ব আসে। সে যেন সত্য গোপন না করে, ক্ষতির পথ না দেখায় এবং নিজের স্বার্থে ভুল কথা না বলে। পরামর্শ মানে শুধু মতামত দেওয়া নয়; এটি এক ধরনের আমানত। তাই ব্যবসা, পরিবার, কাজ, বন্ধুত্ব বা কোনো সিদ্ধান্তের সময় কেউ পরামর্শ চাইলে তাকে ভালোভাবে বোঝা, সৎভাবে বলা এবং গোপন বিষয় রক্ষা করা জরুরি। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো—পরামর্শে সততা, আমানতদারি ও কল্যাণকামী মন রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পরামর্শ দেওয়া একটি আমানত, তাই সততা জরুরি।
- কারও ক্ষতির দিকে ইচ্ছা করে পথ দেখানো ভুল।
- পরামর্শ চাইলে কল্যাণকামী মন নিয়ে কথা বলা উচিত।
- গোপন বা ব্যক্তিগত বিষয় রক্ষা করা আমানতের অংশ।
