৪৩/১৫৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫২১২ - বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগেই ক্ষমা
মুসাফাহা সম্পর্কে
দুই মুসলিমের মুসাফাহা ও ক্ষমার সুসংবাদ
সুনানে আবূ দাউদ : ৫২১২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫২১২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ عَنِ الأَجْلَحِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَلْتَقِيَانِ فَيَتَصَافَحَانِ إِلاَّ غُفِرَ لَهُمَا قَبْلَ أَنْ يَفْتَرِقَا».
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: দুইজন মুসলিম পরস্পর মিলিত হয়ে মুসাফাহা করলে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্বেই তাদের ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫২১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, দুই মুসলিম পরস্পর মিলিত হয়ে মুসাফাহা করলে তারা আলাদা হওয়ার আগেই ক্ষমা করে দেওয়া হয়। হাদিসটি মুসাফাহার একটি বড় মর্যাদা তুলে ধরে। তবে এখানে মূল বিষয় হলো দুই মুসলিমের সাক্ষাৎ, আন্তরিকতা এবং মুসাফাহা। হাত মেলানোকে শুধু সামাজিক নিয়ম মনে না করে, সম্পর্ক ভালো করার সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। যখন কেউ ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করে, হাসিমুখে হাত মেলায়, তখন সম্পর্কের দূরত্ব কমে। এই হাদিস সেই সাক্ষাতের সঙ্গে ক্ষমার সুসংবাদ যুক্ত করেছে। তবে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়; হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, ততটুকুই বলা উচিত। তাই মুসাফাহা, ভালো সম্পর্ক এবং আল্লাহর রহমতের আশা—এই তিনটি বিষয় এখানে একসঙ্গে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসাফাহা মুসলিমদের সম্পর্ক সুন্দর করে।
- দুই মুসলিমের সাক্ষাৎ নেক আমলের সুযোগ হতে পারে।
- বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে ক্ষমার সুসংবাদ হাদিসে এসেছে।
- হাত মেলানোকে আন্তরিক আচরণ হিসেবে রাখা উচিত।
