২/৩৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫২২ - আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম
মুয়াজ্জিনের আজানের জবাবে যা বলতে হয়
আযান শুনলে মুয়াজ্জিনের জবাব দেওয়ার নিয়ম
সুনানে আবূ দাউদ : ৫২২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫২২
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা আজান শুনতে পেলে মুয়াজ্জিন যেরূপ বলবে তোমরাও তদ্রূপ বলবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমরা আযান শুনতে পেলে মুয়াজ্জিন যেরূপ বলবে, তোমরাও তদ্রূপ বলবে। এটি আযানের জবাব দেওয়ার সহজ ও পরিষ্কার নিয়ম। আযান শুনে চুপচাপ থাকা বা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকা নয়; বরং মুয়াজ্জিনের কথার সঙ্গে নিজের জবাব মিলিয়ে বলা এখানে শেখানো হয়েছে। আযান হলো সালাতের আহ্বান, আর তার জবাব দেওয়া হলো সেই আহ্বানের প্রতি সম্মান দেখানো। হাদিসটির মূল বার্তা হলো, আযান শুনলে মুমিনের মন ও মুখ যেন আল্লাহর স্মরণে সাড়া দেয়। তাই আযানের জবাব দেওয়া শুধু মুখের কাজ নয়; এটি নামাজের দিকে মনকে প্রস্তুত করার একটি সুন্দর উপায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান শুনলে মুয়াজ্জিনের কথার জবাব দেওয়া উচিত।
- আযানের সময় অযথা কথা বা কাজে ব্যস্ত না থাকা ভালো।
- মুয়াজ্জিনের ডাকের জবাব দেওয়া সালাতের আহ্বানকে সম্মান করার অংশ।
- আযানের জবাব মুমিনকে নামাজের জন্য মনোযোগী করে।
