২/১৩১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮০৯ - না জানা বিষয়ে সতর্ক থাকা
যুহর ও আসর সালাতে কিরাআতের পরিমাণ
না জানা বিষয়ে ‘আমি জানি না’ বলা একটি শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৮০৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৮০৯
حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لاَ أَدْرِي أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ أَمْ لاَ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যুহর ও আসর সালাতে কিরাআত করতেন কিনা আমি তা অবহিত নই।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই ছোট হাদিসে একটি বড় শিক্ষা আছে। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যুহর ও আসর সালাতে কিরাআত করতেন কি না—তিনি তা জানেন না। এখানে তিনি কোনো অনুমান করেননি এবং নিজের অজানা বিষয়কে জানা হিসেবে বলেননি। যুহর ও আসর সালাতে কিরাআত নিয়ে অন্য বর্ণনা থাকতে পারে, কিন্তু এই নির্দিষ্ট বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো ইলমে সতর্কতা। একজন বড় সাহাবীও যখন কোনো বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত নন, তখন তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আমি জানি না। এটি হাদিস শেখা, মাসআলা বোঝা এবং ধর্মীয় কথা বলার ক্ষেত্রে খুব দরকারি ভঙ্গি। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে—এমন নয়; বরং সত্য জানা না থাকলে থেমে যাওয়া ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- না জানা বিষয়ে ‘আমি জানি না’ বলা সৎ আচরণ।
- ধর্মীয় বিষয়ে অনুমান করে কথা বলা থেকে বাঁচা উচিত।
- বড় সাহাবীরাও নিশ্চিত না হলে সতর্কভাবে কথা বলতেন।
- হাদিস বুঝতে প্রতিটি বর্ণনার সীমা খেয়াল করা দরকার।
