২/১৩৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮৩৪ - যুহর-আসরে ফাতিহা ও যিকর
নিরক্ষর ও অনারব লোকের কিরাআতের পরিমাণ
যুহর ও আসরে সূরা ফাতিহা এবং যিকরের আমল
সুনানে আবূ দাউদ : ৮৩৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৮৩৪
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، مِثْلَهُ لَمْ يَذْكُرِ التَّطَوُّعَ قَالَ كَانَ الْحَسَنُ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ إِمَامًا أَوْ خَلْفَ إِمَامٍ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَيُسَبِّحُ وَيُكَبِّرُ وَيُهَلِّلُ قَدْرَ ق وَالذَّارِيَاتِ .
হুমায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে নফল সালাতের কথা উল্লেখ নেই। তিনি (হুমায়িদ) বলেন, হাসান (রহঃ) যুহর এবং আসর সালাতে- ইমাম কিংবা মুক্তাদী উভয় অবস্থায়ই সূরা ফাতেহা পড়তেন এবং তিনি উক্ত সালাত সূরা ক্বাফ ও সূরা যারিয়াত পাঠের অনুরূপ সময় পর্যন্ত তাসবীহ তাহলীল ও তাকবির পড়তেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের হাদিসের মতো অর্থ এসেছে, তবে এখানে নফল সালাতের কথা উল্লেখ নেই। এতে বলা হয়েছে, হাসান (রাঃ) যুহর ও আসর সালাতে, ইমাম কিংবা মুক্তাদি উভয় অবস্থায়ই সূরা ফাতিহা পড়তেন। এরপর তিনি সূরা ক্বাফ ও সূরা যারিয়াত পাঠের মতো সময় পর্যন্ত তাসবিহ, তাহলিল ও তাকবির পড়তেন। এই হাদিসে মূল আলোচনা যুহর-আসর সালাত, সূরা ফাতিহা পাঠ এবং সালাতের ভেতরে আল্লাহর যিকর। যেহেতু যুহর ও আসর সাধারণত নীরব কিরাআতের সালাত, তাই এখানে ফাতিহা পাঠের আমলটি স্পষ্টভাবে এসেছে। তবে এটি হাসান (রাঃ)-এর আমল হিসেবে বর্ণিত; তাই ব্যাখ্যায় সেটি আলাদা রাখা উচিত। হাদিসটি সালাতের সময়কে অর্থপূর্ণ যিকরে পূর্ণ করার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যুহর ও আসরে সূরা ফাতিহা পড়ার আমল বর্ণিত হয়েছে।
- ইমাম ও মুক্তাদি উভয় অবস্থার কথা এসেছে।
- তাসবিহ, তাহলিল ও তাকবিরের মাধ্যমে সালাতে যিকর বাড়ে।
- এই বর্ণনা হাসান (রাঃ)-এর আমল হিসেবে এসেছে।
