২/১৪৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮৫৯ - কেবলামুখী হয়ে সালাতের নিয়ম
যে ব্যক্তি রুকুতে স্বীয় পিঠ সোজা করে না
কেবলামুখী হয়ে ফাতিহা, রুকু ও সিজদার সঠিক পদ্ধতি
সুনানে আবূ দাউদ : ৮৫৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৮৫৯
حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، - يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو - عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلاَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ، بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ " إِذَا قُمْتَ فَتَوَجَّهْتَ إِلَى الْقِبْلَةِ فَكَبِّرْ ثُمَّ اقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَبِمَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ تَقْرَأَ وَإِذَا رَكَعْتَ فَضَعْ رَاحَتَيْكَ عَلَى رُكْبَتَيْكَ وَامْدُدْ ظَهْرَكَ " . وَقَالَ " إِذَا سَجَدْتَ فَمَكِّنْ لِسُجُودِكَ فَإِذَا رَفَعْتَ فَاقْعُدْ عَلَى فَخِذِكَ الْيُسْرَى " .
রিফা'আহ্ ইবনু রাফি' (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরোক্ত ঘটনা বর্ণিত আছে। তিনি (ﷺ) বলেনঃ তুমি সালাত আদায়ে দাঁড়ালে ক্বিবলাহমুখী হয়ে আল্লাহু আকবার বলে সূরা ফাতিহা এবং কোরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করবে। অতঃপর রুকূ’তে তোমার দু’হাত দু’হাঁটুর উপর রাখবে এবং পিঠ লম্বা করে রাখবে। তিনি আরো বলেনঃ তুমি সাজদাহ্ করলে তাতে কিছুক্ষণ অবস্থান করবে এবং সাজদাহ্ হতে মাথা উঠানোর পর তোমার বাম উরূর উপর বসবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের ঘটনার অংশ হিসেবে সালাতের কিছু ধাপ আরও স্পষ্টভাবে এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, সালাতে দাঁড়ালে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহু আকবার বলতে হবে। এরপর সূরা ফাতিহা এবং কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করবে। রুকুতে দুই হাত দুই হাঁটুর উপর রাখতে এবং পিঠ লম্বা করে রাখতে বলা হয়েছে। আবার সিজদা করলে তাতে কিছুক্ষণ অবস্থান করতে বলা হয়েছে। সিজদা থেকে মাথা উঠানোর পর বাম উরুর উপর বসার কথাও এসেছে। এই হাদিস কেবলামুখী সালাত, সূরা ফাতিহা, রুকুর ভঙ্গি এবং সিজদার ধীরস্থিরতা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রতিটি নির্দেশ সালাতের শরীরী পদ্ধতি ও আদবের সঙ্গে জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে দাঁড়ালে কেবলামুখী হওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- সূরা ফাতিহা ও কুরআনের অংশ তিলাওয়াতের কথা বলা হয়েছে।
- রুকুতে হাত হাঁটুর উপর রেখে পিঠ লম্বা রাখতে হবে।
- সিজদায় কিছুক্ষণ স্থির থাকা এবং বসার পদ্ধতি শেখানো হয়েছে।
