১৫/২৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৩৭ - শাম-ইয়ামেনের বরকত ও ফিতনা
ভূমিকম্প ও কেয়ামতের নিদর্শন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
শাম ও ইয়ামেনের বরকত: নজদে ফিতনার সতর্কবার্তা
সহীহ বুখারী : ১০৩৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০৩৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا وَفِي يَمَنِنَا. قَالَ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا قَالَ قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا وَفِي يَمَنِنَا. قَالَ قَالُوا وَفِي نَجْدِنَا قَالَ قَالَ هُنَاكَ الزَّلاَزِلُ وَالْفِتَنُ، وَبِهَا يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, হে আল্লাহ্! আমাদের শামে (সিরিয়া) ও ইয়ামনে বরকত দান করুন। লোকেরা বলল, আমাদের নজদেও। নবী (ﷺ) বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের শামদেশে ও ইয়ামনে বরকত দান করুন। লোকেরা তখন বলল, আমাদের নজদেও। রাবী বলেন, নবী (ﷺ) তখন বললেনঃ সেখানে তো রয়েছে ভূমিকম্প ও ফিত্না-ফাসাদ আর শয়তানের শিং সেখান হতেই বের হবে (তার উত্থান ঘটবে)।
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বরকতের দোয়া এবং ফিতনার সতর্কতা। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বললেন, ‘হে আল্লাহ! আমাদের শাম ও ইয়ামেনে বরকত দান করুন।’ লোকেরা নজদের কথাও বলল। নবীজি আবার শাম ও ইয়ামেনের জন্য বরকতের দোয়া করলেন। তারা আবার নজদের কথা বললে নবীজি বললেন, সেখানে ভূমিকম্প ও ফিতনা-ফাসাদ রয়েছে এবং শয়তানের শিং সেখান থেকেই বের হবে। এই হাদিসে দুটি দিক আছে: একদিকে নির্দিষ্ট এলাকার জন্য বরকতের দোয়া, অন্যদিকে ফিতনা সম্পর্কে সতর্কতা। এখানে যে কথাগুলো এসেছে, সেগুলোর বাইরে কোনো রাজনৈতিক বা অতিরিক্ত ব্যাখ্যা যোগ করা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, বরকত আল্লাহর কাছে চাইতে হয় এবং ফিতনা থেকে সতর্ক থাকতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি শাম ও ইয়ামেনের জন্য বরকতের দোয়া করেছেন।
- নজদ সম্পর্কে ভূমিকম্প ও ফিতনার কথা বলা হয়েছে।
- ফিতনা থেকে সতর্ক থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
- বরকত চাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছেই দোয়া করতে হয়।
