১৬/১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৪১ - সূর্যগ্রহণের নামাজ ও আল্লাহর নিদর্শন
সূর্যগ্রহণের সময় সালাত।
সূর্যগ্রহণের নামাজ: গ্রহণ আল্লাহর নিদর্শন
সহীহ বুখারী : ১০৪১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০৪১
حَدَّثَنَا شِهَابُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا مَسْعُودٍ، يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ " إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لاَ يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ مِنَ النَّاسِ، وَلَكِنَّهُمَا آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ، فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمَا فَقُومُوا فَصَلُّوا ".
আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোন লোকের মৃত্যুর কারণে কখনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। তবে তা আল্লাহ্র নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। তাই তোমরা যখন সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হতে দেখবে, তখন দাঁড়িয়ে যাবে এবং সালাত আদায় করবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) খুব পরিষ্কারভাবে বলেছেন, সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ কোনো মানুষের মৃত্যুর কারণে হয় না। অর্থাৎ এমন ঘটনা দেখে কুসংস্কার বা মানুষের সঙ্গে অদৃশ্য সম্পর্ক বানানো ঠিক নয়। বরং সূর্য ও চাঁদ—দুটিই আল্লাহর নিদর্শন। তাই গ্রহণ দেখলে মুমিনের কাজ হলো আল্লাহর দিকে ফিরা এবং সালাতে দাঁড়ানো। এখানে মূল শিক্ষা হলো: গ্রহণের সালাত মানুষকে ভয়, ভাবনা ও আল্লাহর স্মরণে নিয়ে যায়। যারা গুগলে সূর্যগ্রহণের নামাজ, চন্দ্রগ্রহণের সালাত বা কুসূফ সালাতের হাদিস খোঁজেন, তাদের জন্য এই বর্ণনাটি মূল ভিত্তির মতো। হাদিসটি আমাদের শেখায়, আকাশের বড় ঘটনা দেখলে মানুষের কথায় না গিয়ে আল্লাহর নির্দেশিত আমলে মন দিতে হবে। এ হাদিসের মূল বিষয় হলো গ্রহণের সালাত, যা সরাসরি বর্ণনার কথার সঙ্গে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গ্রহণকে কারো মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ঘটনার সঙ্গে জড়ানো ঠিক নয়।
- সূর্য ও চাঁদের গ্রহণ আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে ভাবতে হবে।
- গ্রহণ দেখলে সালাত আদায় করা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ।
