১৮/১. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ১০৮০ - সফরে উনিশ দিন কসর সালাত

কসর সম্পর্কে বর্ণনা এবং কতদিন অবস্থান পর্যন্ত কসর করবে।

সফরে কসর সালাত: উনিশ দিন অবস্থানের বর্ণনা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০৮০

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، وَحُصَيْنٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ أَقَامَ النَّبِيُّ ﷺ تِسْعَةَ عَشَرَ يَقْصُرُ، فَنَحْنُ إِذَا سَافَرْنَا تِسْعَةَ عَشَرَ قَصَرْنَا، وَإِنْ زِدْنَا أَتْمَمْنَا.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) একদা সফরে উনিশ দিন পর্যন্ত অবস্থান কালে সালাত কসর করেন। সেহেতু আমরাও উনিশ দিনের সফরে থাকলে কসর করি এবং এর চেয়ে অধিক হলে পূর্ণ সালাত আদায় করি।

সহীহ বুখারী হাদিস ১০৮০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সফরে সালাত কসর করার একটি নির্দিষ্ট বর্ণনা এসেছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) সফরে উনিশ দিন অবস্থানকালে সালাত কসর করেছেন। তাই তাঁরা উনিশ দিনের সফরে থাকলে কসর করতেন, আর এর চেয়ে বেশি হলে পূর্ণ সালাত আদায় করতেন। হাদিসের মূল কথা হলো সফর অবস্থায় কসর সালাতের আমল এবং অবস্থানের সময়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক। এখানে দূরত্ব, মাজহাবি মত বা বিস্তারিত শর্ত আলোচনা করা হয়নি। তাই ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও শুধু বর্ণিত শিক্ষায় থাকা ভালো। মুসাফিরের সালাত, কসর নামাজ এবং সফরের আমল বুঝতে এই হাদিসটি গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী (صلى الله عليه وسلم) সফরে উনিশ দিন অবস্থানকালে সালাত কসর করেছেন।
  • ইবনু আব্বাস (রাঃ) উনিশ দিনের সফরে কসর করার কথা বলেছেন।
  • এর বেশি অবস্থান হলে পূর্ণ সালাত আদায়ের কথা এই বর্ণনায় এসেছে।
  • সফরের আমলে নবীজির পদ্ধতি জানা মুমিনের জন্য জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন