২১/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১২০০ - সালাতের মধ্যে কথা বলা থেকে নীরবতার নির্দেশ
সালাতে কথা বলা নিষিদ্ধ হওয়া।
সালাতে নীরবতা: নামাজের মধ্যে কথাবার্তা বন্ধের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১২০০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১২০০
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عِيسَى ـ هُوَ ابْنُ يُونُسَ ـ عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، قَالَ قَالَ لِي زَيْدُ بْنُ أَرْقَمَ إِنْ كُنَّا لَنَتَكَلَّمُ فِي الصَّلاَةِ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ ﷺ، يُكَلِّمُ أَحَدُنَا صَاحِبَهُ بِحَاجَتِهِ حَتَّى نَزَلَتْ ﴾حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ﴿ الآيَةَ، فَأُمِرْنَا بِالسُّكُوتِ.
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা নবী (ﷺ) -এর সময়ে সালাতের মধ্যে কথা বলতাম। আমাদের যে কেউ তার সঙ্গীর সাথে নিজ দরকারি বিষয়ে কথা বলত।অবশেষে এ আয়াত নাযিল হল –حا فِظوا عَلى الصَّلَواتِ الاية “তোমরা তোমাদের সালাত সমূহের সংরক্ষণ কর ও নিয়মানুবর্তিতা রক্ষা কর; বিশেষ মধ্যবর্তী (‘আসর) সালাতে, আর তোমরা (সালাতে) আল্লাহ্র উদ্দেশে একাগ্রচিত্ত হও”- (সূরা আল-বাকারা ২/২৩৮)।অতঃপর আমরা সালাতে নীরব থাকতে আদেশপ্রাপ্ত হলাম।
সহীহ বুখারী হাদিস ১২০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতের মধ্যে কথা বলা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা এসেছে। যায়েদ ইবনু আরকাম (রাঃ) বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم-এর সময়ে তারা সালাতের মধ্যে কথা বলতেন। একজন আরেকজনের সঙ্গে নিজের দরকারি কথাও বলত। এরপর আয়াত নাজিল হলো—সালাতসমূহের সংরক্ষণ করো এবং আল্লাহর উদ্দেশে একাগ্রচিত্ত হও। এরপর তারা সালাতে নীরব থাকতে আদেশপ্রাপ্ত হলেন। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো সালাত কথাবার্তার জায়গা নয়; বরং আল্লাহর সামনে একাগ্র হয়ে দাঁড়ানোর ইবাদত। হাদিসটি সালাতের শৃঙ্খলা, নীরবতা এবং মনোযোগের গুরুত্ব স্পষ্ট করে। এখানে যা বলা হয়েছে, তা সালাতের ভেতরে কথা বলা থেকে নীরবতার নির্দেশ নিয়ে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের মধ্যে কথাবার্তা থেকে নীরবতার নির্দেশ এসেছে।
- সালাত সংরক্ষণ ও একাগ্রতার কথা আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে।
- সালাত আল্লাহর সামনে মনোযোগ নিয়ে দাঁড়ানোর ইবাদত।
