২৩/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১২৫০ - বালেগ হওয়ার আগের সন্তানের কথা
সন্তানের মৃত্যুতে সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণের ফজিলত।
وَقَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ﴾وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ﴿আল্লাহ তা‘আলার বাণী: “আর সবরকারীদের সুসংবাদ প্রদান করুন”। (আল-বাকারা ১৫৫)"
নাবালিগ সন্তান সম্পর্কে হাদিস: বালেগ হওয়ার আগের বয়সের ব্যাখ্যা
সহীহ বুখারী : ১২৫০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১২৫০
وَقَالَ شَرِيكٌ عَنْ ابْنِ الأَصْبَهَانِيِّ حَدَّثَنِي أَبُو صَالِحٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যারা বালিগ হয়নি।
সহীহ বুখারী হাদিস ১২৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো আগের বর্ণনায় বলা সন্তানদের বয়সের ব্যাখ্যা। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, যারা বালেগ হয়নি। অর্থাৎ সন্তান হারানোর সান্ত্বনা সম্পর্কিত বর্ণনায় যে সন্তানদের কথা এসেছে, এখানে তাদের নাবালিগ হওয়া স্পষ্ট করা হয়েছে। এই ছোট বর্ণনাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মূল কথার সীমা বুঝতে সাহায্য করে। অনেক সময় হাদিসের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ বড় বিষয়ের দরজা খুলে দেয়। এখানে নতুন কোনো দীর্ঘ বিধান নেই; শুধু বলা হয়েছে, বর্ণনায় উল্লেখিত সন্তানরা বালেগ হয়নি। তাই নাবালিগ সন্তান মারা গেলে হাদিস, বালেগ হওয়ার আগের সন্তান, এবং সন্তান হারানোর সান্ত্বনা—এসব বিষয়ে এই অংশটি আগের হাদিসগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় সন্তানদের নাবালিগ হওয়া স্পষ্ট করা হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও মূল বক্তব্যের সীমা বুঝতে সাহায্য করে।
- হাদিসের শব্দ বুঝে ব্যাখ্যা করা দরকার।
- অতিরিক্ত দাবি না করে বর্ণিত কথাতেই থাকা নিরাপদ।
