৩০/৬৯. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ২০০৬ - আশুরার সাওমের গুরুত্ব ও রমজানের মর্যাদা

আশুরার দিনে সওম করা।

আশুরার সাওম ও রমজান: নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর বিশেষ গুরুত্ব

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২০০৬

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَتَحَرَّى صِيَامَ يَوْمٍ فَضَّلَهُ عَلَى غَيْرِهِ إِلاَّ هَذَا الْيَوْمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَهَذَا الشَّهْرَ يَعْنِي شَهْرَ رَمَضَانَ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)- কে ‘আশূরার দিনের সাওমের উপরে অন্য কোন দিনের সাওমকে প্রাধান্য প্রদান করতে দেখিনি এবং এ মাস অর্থাৎ রমজান মাস (এর উপর অন্য মাসের গুরুত্ব প্রদান করতেও দেখিনি)।

সহীহ বুখারী হাদিস ২০০৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলের একটি সুন্দর দিক তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, তিনি আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم)-কে আশুরার দিনের সাওমের উপর অন্য কোনো দিনের সাওমকে প্রাধান্য দিতে দেখেননি। একইভাবে তিনি রমজান মাসের উপর অন্য কোনো মাসকে গুরুত্ব দিতে দেখেননি। তাই এই হাদিসে দুটি বিষয় খুব স্পষ্ট: আশুরার সাওমের বিশেষ গুরুত্ব আছে এবং রমজান মাসের মর্যাদা আলাদা। যারা ‘আশুরার সাওমের ফজিলত’ বা ‘রমজানের গুরুত্ব’ জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি খুব উপকারী। তবে এখানে নির্দিষ্ট কোনো পুরস্কারের কথা নয়, বরং নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم) আশুরার সাওমকে গুরুত্ব দিতেন।
  • রমজান মাসকে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বিশেষ মর্যাদা দিতেন।
  • নেক আমলে গুরুত্ব বোঝার জন্য নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল বড় নির্দেশনা।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন