৫৫/৩২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৭৭৬ - নবীজির সম্পদ সদকা হওয়া
ওয়াকফের তদারককারীর ব্যয় নির্বাহ।
নবীজির সম্পদ: প্রয়োজনীয় খরচের পর সদকা
সহীহ বুখারী : ২৭৭৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৭৭৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «لاَ يَقْتَسِمْ وَرَثَتِي دِينَارًا، مَا تَرَكْتُ بَعْدَ نَفَقَةِ نِسَائِي وَمَئُونَةِ عَامِلِي فَهْوَ صَدَقَةٌ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘আমার উত্তরাধিকারীরা কোন স্বর্ণ মুদ্রা এবং রৌপ্য মুদ্রা ভাগাভাগি করবে না, বরং আমি যা কিছু রেখে গেলাম তা থেকে আমার স্ত্রীদের খরচ এবং কর্মচারীদের পারিশ্রমিক দেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে তা সদকা।’
সহীহ বুখারী হাদিস ২৭৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর রেখে যাওয়া সম্পদের বিষয়ে বলেছেন। তিনি জানান, তাঁর উত্তরাধিকারীরা কোনো স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রা ভাগাভাগি করবে না। বরং তাঁর স্ত্রীদের খরচ এবং কর্মচারীদের পারিশ্রমিক দেওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকবে, তা সদকা হবে। এই বর্ণনায় নবীজির সম্পদের বিশেষ বিধান এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, তাঁর রেখে যাওয়া সম্পদের সাধারণ উত্তরাধিকারী ভাগাভাগি হবে না; প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পূরণ করার পর তা সদকা হিসেবে থাকবে। হাদিসটি নবীজির সম্পদ সদকা, পরিবার খরচ এবং দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার বিষয় স্পষ্ট করে। তবে এই হাদিসে যা বলা হয়েছে, ব্যাখ্যাও তার মধ্যেই সীমিত রাখা দরকার। নবীজির উত্তরাধিকার হাদিস হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর রেখে যাওয়া সম্পদের বিশেষ বিধান ছিল।
- স্ত্রীদের খরচ ও কর্মচারীদের পারিশ্রমিক আগে বিবেচনায় এসেছে।
- প্রয়োজনীয় খরচের পর অবশিষ্ট সম্পদ সদকা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
- সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব ও ন্যায়ের দিকটি গুরুত্বপূর্ণ।
