৬৪/১৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪০৫৮ - আলী (রাঃ)-এর বর্ণনায় সা’দ (রাঃ)
পরিচ্ছেদ নেই
﴾إِذْ هَمَّتْ طَائِفَتَانِ مِنْكُمْ أَنْ تَفْشَلَا وَاللَّهُ وَلِيُّهُمَا وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ﴿যখন তোমাদের মধ্যে দু’দলের সাহস হারাবার উপক্রম হয়েছিল এবং আল্লাহ উভয়ের সহায়ক ছিলেন। আল্লাহর প্রতিই যেন মুমিনগণ নির্ভর করে। (সূরা আলে ‘ইমরান ৩/১২২)"
আলী (রাঃ)-এর সাক্ষ্যে সা’দ (রাঃ)-এর বিশেষ মর্যাদা
সহীহ বুখারী : ৪০৫৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪০৫৮
أَبُوْ نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ عَنْ سَعْدٍ عَنْ ابْنِ شَدَّادٍ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللهُ عَنْهُ يَقُوْلُ مَا سَمِعْتُ النَّبِيَ ﷺ يَجْمَعُ أَبَوَيْهِ لِأَحَدٍ غَيْرَ سَعْدٍ.
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সা’দ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো জন্য নবী (ﷺ)-কে তাঁর পিতা-মাতার নাম একত্রে উল্লেখ করতে আমি শুনিনি।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪০৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী (রাঃ) বলেন, তিনি সা’দ (রাঃ) ছাড়া অন্য কারো জন্য নবী صلى الله عليه وسلم-কে তাঁর পিতা-মাতা একত্রে উল্লেখ করতে শোনেননি। হাদিসটি সা’দ (রাঃ)-এর মর্যাদা বোঝায় এবং আলী (রাঃ)-এর শোনা তথ্যের ভিত্তিতে এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো সাহাবীদের মধ্যে বিশেষ মর্যাদা এবং ভালো কাজের স্বীকৃতি। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, আলী (রাঃ) বলেছেন তিনি শোনেননি; এর মানে তাঁর নিজের জানা ও শোনার সীমা অনুযায়ী বর্ণনা। তাই এ হাদিসকে সম্মানের ভাষায় বোঝা উচিত, অন্য সাহাবীদের মর্যাদা কমানোর জন্য নয়। উহুদের তীরন্দাজির সঙ্গে সম্পর্কিত বর্ণনাগুলো মিলিয়ে দেখা যায়, সা’দ (রাঃ)-এর দৃঢ় ভূমিকা নবী صلى الله عليه وسلم-এর বিশেষ প্রশংসার কারণ হয়েছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সা’দ (রাঃ)-এর প্রতি নবী صلى الله عليه وسلم-এর বিশেষ সম্মান প্রকাশ পেয়েছে।
- সাহাবীরা যা শুনেছেন তা সততার সঙ্গে বর্ণনা করেছেন।
- একজনের মর্যাদা বলা অন্যদের মর্যাদা কমানো নয়।
- ভালো কাজের স্বীকৃতি ইসলামী আদবের অংশ।
