৬৫/৩২৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৮৮৩ - সূরা হাশরের আরেক নাম সূরা নযীর
পরিচ্ছেদ নাই।
সূরা হাশর কেন সূরা নযীর নামে পরিচিত
সহীহ বুখারী : ৪৮৮৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৮৮৩
الْحَسَنُ بْنُ مُدْرِكٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ أَخْبَرَنَا أَبُوْ عَوَانَةَ عَنْ أَبِيْ بِشْرٍ عَنْ سَعِيْدٍ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا سُوْرَةُ الْحَشْرِ قَالَ قُلْ سُوْرَةُ النَّضِيْرِ.
সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে ‘সূরা হাশ্র’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এ সূরাকে ‘সূরা বানী নাযীর’ বল।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৮৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে সূরা হাশর সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা এসেছে। সাঈদ (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে সূরা হাশর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এটিকে সূরা নযীর বল। অর্থাৎ এই সূরার আলোচনার সঙ্গে বনি নযীরের ঘটনা সরাসরি যুক্ত। হাদিসটি খুব ছোট হলেও তাফসীরের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কুরআনের কোনো সূরা কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে বোঝা হবে, তা সাহাবীদের কথা থেকে জানা যায়। এখানে বাড়তি ঘটনা যোগ করার দরকার নেই; শুধু এতটুকুই স্পষ্ট যে, ইবন আব্বাস (রাঃ) সূরা হাশরের পরিচয়ে বনি নযীরের বিষয়টি সামনে এনেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরার বিষয় বোঝার জন্য সাহাবীদের ব্যাখ্যা কাজে লাগে।
- সূরা হাশরের সঙ্গে বনি নযীরের ঘটনা সম্পর্কিত।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও তাফসীর বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
- কুরআনের নাম ও বিষয় নিয়ে জ্ঞানীজনদের কাছে জিজ্ঞেস করা ভালো।
