৬৬/৩১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫০৪৮ - আবু মূসার সুমধুর কণ্ঠ
মধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করা।
সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত: আবু মূসা (রাঃ)-এর প্রশংসা
সহীহ বুখারী : ৫০৪৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫০৪৮
مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ أَبُوْ بَكْرٍ حَدَّثَنَا أَبُوْ يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ حَدَّثَنَا بُرَيْدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِيْ بُرْدَةَ عَنْ جَدِّهِ أَبِيْ بُرْدَةَ عَنْ أَبِيْ مُوْسَى عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لَهُ يَا أَبَا مُوْسَى لَقَدْ أُوْتِيْتَ مِزْمَارًا مِنْ مَزَامِيْرِ آلِ دَاوُدَ.
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবূ মূসা! তোমাকে দাঊদ (আঃ)- এর সুমধুর কণ্ঠ দান করা হয়েছে।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫০৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) আবু মূসা (রাঃ)-কে বলেন, তাঁকে দাউদ (আঃ)-এর সুমধুর কণ্ঠের মতো একটি কণ্ঠ দান করা হয়েছে। বর্ণনাটি ছোট, কিন্তু কুরআন তিলাওয়াতে সুন্দর কণ্ঠের গুরুত্ব বোঝায়। এখানে মূল কথা হলো, কণ্ঠের সৌন্দর্য যদি কুরআনের মর্যাদার সঙ্গে থাকে, তবে তা শ্রোতার মনে প্রভাব ফেলতে পারে। নবী (صلى الله عليه وسلم) আবু মূসা (রাঃ)-এর কণ্ঠের প্রশংসা করেছেন, কিন্তু এতে অহংকার, প্রদর্শন বা গানের মতো আচরণের শিক্ষা নেই। বরং কুরআনকে সুন্দরভাবে পড়া এবং আল্লাহপ্রদত্ত নেয়ামতকে ভালো কাজে ব্যবহার করার ইঙ্গিত আছে। যারা সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত বা আবু মূসা আশআরীর কণ্ঠের হাদিস খোঁজেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুব পরিচিত ও অর্থবহ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সুন্দর কণ্ঠ কুরআন তিলাওয়াতে ভালো প্রভাব রাখতে পারে।
- আল্লাহপ্রদত্ত কণ্ঠকে কুরআনের কাজে ব্যবহার করা ভালো।
- প্রশংসা পেলেও অহংকার নয়, বরং কুরআনের মর্যাদা মনে রাখা দরকার।
