১০/৩২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৬৫৩ - শহীদ, আযান ও প্রথম কাতারের ফজিলত
প্রথম ওয়াক্তে যুহরের সালাতে যাওয়ার মর্যাদা।
আযান ও প্রথম কাতারের ফজিলত: হাদিসে শহীদের পাঁচ ধরন
সহীহ বুখারী : ৬৫৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৫৩
ثُمَّ قَالَ " الشُّهَدَاءُ خَمْسَةٌ الْمَطْعُونُ، وَالْمَبْطُونُ، وَالْغَرِيقُ، وَصَاحِبُ الْهَدْمِ، وَالشَّهِيدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ". وَقَالَ " لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي النِّدَاءِ وَالصَّفِّ الأَوَّلِ ثُمَّ لَمْ يَجِدُوا إِلاَّ أَنْ يَسْتَهِمُوا لاَسْتَهَمُوا عَلَيْهِ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অতঃপর আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বললেনঃ শহীদ পাঁচ প্রকার-১. প্লেগে মৃত ব্যক্তি২. কলেরায় মৃত ব্যক্তি৩. পানিতে নিমজ্জিত ব্যক্তি৪. চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি এবং৫. আল্লাহ্র পথে (জিহাদে) শহীদ। তিনি আরও বলেছেনঃ মানুষ যদি আযান দেয়া এবং প্রথম কাতারে সালাত আদায় করার কী ফযীলত তা জানত আর কুরআহ্র মাধ্যমে ফায়সালা করা ছাড়া সে সুযোগ না পেতো, তাহলে কুরআহ্র মাধ্যমে হলেও তারা সে সুযোগ গ্রহণ করতো।
সহীহ বুখারী হাদিস ৬৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দুটি আলাদা বিষয় এসেছে। প্রথমে নবী (صلى الله عليه وسلم) পাঁচ ধরনের শহীদের কথা বলেছেন: প্লেগে মৃত ব্যক্তি, পেটের রোগে মৃত ব্যক্তি, পানিতে ডুবে মৃত ব্যক্তি, চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি এবং আল্লাহর পথে শহীদ। এরপর তিনি আযান ও প্রথম কাতারের ফজিলত সম্পর্কে বলেন। মানুষ যদি আযান দেওয়া এবং প্রথম কাতারে সালাত আদায়ের ফজিলত জানত, আর সুযোগ পাওয়ার জন্য কুরআ ছাড়া উপায় না থাকত, তাহলে তারা কুরআ করত। এই অংশে আযান ও প্রথম কাতারের প্রতি প্রবল আগ্রহের শিক্ষা আছে। তবে শহীদের অংশ এবং আযান-প্রথম কাতারের অংশকে আলাদা রেখেই বোঝা উচিত, কারণ হাদিসে দুটো বিষয় পৃথকভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে পাঁচ ধরনের শহীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- আযান দেওয়ার ফজিলতকে গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে।
- প্রথম কাতারে সালাত আদায়ের মর্যাদা বড় বলে বোঝানো হয়েছে।
- একই হাদিসে একাধিক বিষয় এলে সেগুলো আলাদা করে বোঝা দরকার।
