৯৪/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৭২৩৯ - আকাঙ্ক্ষা
لو ‘যদি’ শব্দটি কতটা বৈধ।
وَقَوْلُهُ تَعَالَى: {أَنْ لَوْ كَانَ لَنَا مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ مَا قُتِلْنَا هَاهُنَا} {لَوْ أَطَاعُونَا مَا قُتِلُوا} {وَلَوْ كُنْتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لَاسْتَكْثَرْتُ مِنَ الْخَيْرِ} {وَلَوْ رَدُّوا لَعَادُوا لِمَا نُهُوا عَنْهُ} {وَلَوْ أَنَّنَا نَزَّلْنَا إِلَيْهِمُ الْمَلَائِكَةَ} وَفِي قِصَّةِ شُعَيْبٍ {وَلَوْلَا رَهْطُكَ لَرَجَمْنَاكَ} {وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ} {وَلَوْلَا دَفْعُ اللَّهِ النَّاسَ بَعْضَهُمْ بِبَعْضٍ} {وَلَوْ شَاءَ رَبُّكَ مَا فَعَلُوهُ} {وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ مَا اقْتَتَلُوا} {وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَى آمَنُوا وَاتَّقَوْا} {وَلَوْ أَنَّهُمْ آمَنُوا وَاتَّقَوْا} {وَلَوْ أَنَّهُمْ فَعَلُوا مَا يُوعَظُونَ بِهِআল্লাহর বাণী: আমাদের যদি কোনো ক্ষমতা থাকত তবে আমরা এখানে নিহত হতাম না। (সূরা আলে ‘ইমরান ৩/১৫৪)। যদি তারা আমাদের কথা মানত তবে নিহত হত না। (সূরা আলে ‘ইমরান ৩/১৬৮)। আমি যদি অদৃশ্যের খবর জানতাম তবে আমি প্রভূত কল্যাণ লাভ করতাম। (সূরা আল-আ‘রাফ ৭/১৮৮)। তারা যদি ফিরেও আসে তবু যা করতে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে তাই করবে। (সূরা আল-আন‘আম ৬/২৮)। যদি আমি তাদের কাছে ফিরিশতা পাঠাতাম...। (সূরা আল-আন‘আম ৬/১১১)।শু‘আইব (আঃ)-এর ঘটনায় আছে, যদি তোমার স্বগোত্রীয়রা না থাকত তবে আমি তোমাকে পাথর মেরে হত্যা করতাম। (সূরা হূদ ১১/৯১)। যদি তোমার রবের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকত। (সূরা ত্ব-হা ২০/১২৯)। আল্লাহ যদি মানব জাতির এক দলকে অন্য দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন। (সূরা আল-বাকারা ২/২৫১)। তোমার রব যদি ইচ্ছে করতেন তবে তারা তা করত না। (সূরা আল-আন‘আম ৬/১১২)। আল্লাহ যদি ইচ্ছে করতেন তবে তারা যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হত না। (সূরা আল-বাকারা ২/২৫৩)। যদি জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত। (সূরা আল-আ‘রাফ ৭/৯৬)। যদি তারা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত। (সূরা আল-বাকারা ২/১০৩)। তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছে তারা যদি তা করত। (সূরা আন-নিসা ৪/৬৬)وَقَوْلُهُ تَعَالَى: {لَوْ أَنَّ لِي بِكُمْ قُوَّةًআল্লাহর বাণী: তোমাদের দমন করার ক্ষমতা আমার যদি থাকত! (সূরা হূদ ১১/৮০)"
সহীহ বুখারী : ৭২৩৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭২৩৯
عَلِيٌّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا عَطَاءٌ قَالَ أَعْتَمَ النَّبِيُّ ﷺبِالْعِشَاءِ فَخَرَجَ عُمَرُ فَقَالَ الصَّلاَةَ يَا رَسُولَ اللهِ رَقَدَ النِّسَاءُ وَالصِّبْيَانُ فَخَرَجَ وَرَأْسُهُ يَقْطُرُ يَقُولُ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي أَوْ عَلَى النَّاسِ وَقَالَ سُفْيَانُ أَيْضًا عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالصَّلاَةِ هَذِهِ السَّاعَةَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَخَّرَ النَّبِيُّ ﷺ هَذِهِ الصَّلاَةَ فَجَاءَ عُمَرُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ ﷺ رَقَدَ النِّسَاءُ وَالْوِلْدَانُ فَخَرَجَ وَهُوَ يَمْسَحُ الْمَاءَ عَنْ شِقِّهِ يَقُولُ إِنَّهُ لَلْوَقْتُ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي وَقَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا عَطَاءٌ لَيْسَ فِيهِ ابْنُ عَبَّاسٍ أَمَّا عَمْرٌو فَقَالَ رَأْسُهُ يَقْطُرُ وَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ يَمْسَحُ الْمَاءَ عَنْ شِقِّهِ وَقَالَ عَمْرٌو لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي وَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ إِنَّهُ لَلْوَقْتُ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِيوَقَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا مَعْنٌ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর এশার সালাত দেরি হল। তখন ‘উমর (রাঃ) বের হয়ে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! সালাত, মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে যাচ্ছেন। তখন তিনি বের হয়ে এলেন, তাঁর মাথা থেকে পানি টপ টপ করে পড়ছে। তিনি বলেছিলেন, যদি আমার উম্মাতের জন্য কিংবা বলেছিলেন, লোকেদের জন্য, সুফিয়ানও বলেছেন, আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে এ সময়ে সালাত পড়ার হুকুম দিতাম।ইব্নু জুরায়জ ‘আত্বার সূত্রে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) এ সালাত বিলম্ব করলেন। ফলে ‘উমর (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে যাচ্ছে। তখন তিনি তাঁর মাথার পাশ থেকে পানি মুছতে মুছতে বের হয়ে এসে বললেনঃ আসলে এটাই সময়। এরপর বললেনঃ যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম .....।‘আম্র এ হাদীসটি ‘আত্বা থেকে বর্ণনা করেন, সে সূত্রে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নাম নেই। তবে ‘আম্র বলেছেন যে, তাঁর মাথা থেকে পানি টপ টপ করে পড়ছিল। আর ইব্নু জুরায়জ বলেন, তিনি তাঁর মাথার এক পাশ থেকে পানি মুছছিলেন। আবার ‘আম্রের বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম। আর ইব্নু জুরায়জ বলেন, এটাই সময়। যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম ......। তবে ইব্রাহীম ইব্নু মুনযির ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা আছে।
