১১/৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৮৮৮ - মিসওয়াক বিষয়ে নবীজির তাগিদ
জুমু‘আর দিন মিসওয়াক করা।
وَقَالَ أَبُو سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ يَسْتَنُّ.আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি মেসওয়াক করতেন।"
মিসওয়াক বিষয়ে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বারবার তাগিদ
সহীহ বুখারী : ৮৮৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৮৮৮
حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ الْحَبْحَابِ، حَدَّثَنَا أَنَسٌ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «أَكْثَرْتُ عَلَيْكُمْ فِي السِّوَاكِ ".
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ আমি মিস্ওয়াক সম্পর্কে তোমাদের যথেষ্ট বলেছি।
সহীহ বুখারী হাদিস ৮৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, আমি মিসওয়াক সম্পর্কে তোমাদের যথেষ্ট বলেছি। এর মানে মিসওয়াক এমন একটি বিষয়, যা তিনি সাহাবীদের কাছে বারবার উল্লেখ করেছেন। এখানে কোনো দীর্ঘ বিধান নেই, কিন্তু কথাটি থেকেই বোঝা যায় মিসওয়াক নবীজির কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একজন মুসলিম যখন মিসওয়াকের হাদিস খোঁজেন, তখন এই বর্ণনা তাকে মনে করিয়ে দেয় যে মুখের পরিচ্ছন্নতা শুধু স্বাস্থ্যগত বিষয় নয়; ইবাদতের প্রস্তুতির সঙ্গেও এটি যুক্ত। সালাত, তিলাওয়াত বা আল্লাহর যিকরের আগে পরিষ্কার মুখ রাখা সুন্দর অভ্যাস। তবে হাদিসে যা বলা হয়েছে, তার বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। এই বর্ণনার মূল বার্তা হলো, মিসওয়াককে অবহেলা না করা এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর তাগিদকে সম্মান করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) মিসওয়াক বিষয়ে বারবার তাগিদ দিয়েছেন।
- মুখের পরিচ্ছন্নতা মুসলিম জীবনের সুন্দর অভ্যাস।
- ছোট সুন্নাহ মনে হলেও মিসওয়াকের গুরুত্ব রয়েছে।
- হাদিসের সীমার মধ্যে থেকে আমলের মূল্য বোঝা উচিত।
