১১/১৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৯০৩ - জুমার গোসল ও প্রস্তুতির শিক্ষা
সূর্য হেলে গেলে জুমু‘আর সময় হয়
وَكَذَلِكَ يُرْوَى عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَالنُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ وَعَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ.‘উমার, ‘আলী, নু‘মান ইবন বাশীর এবং ‘আমর ইবন হুরাইস (রাঃ) হতেও অনুরূপ উল্লেখ রয়েছে।"
জুমার গোসল: কাজের পর মসজিদে যাওয়ার আগে পরিচ্ছন্নতা
সহীহ বুখারী : ৯০৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৯০৩
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عَمْرَةَ عَنِ الْغُسْلِ، يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَالَتْ قَالَتْ عَائِشَةُ ـ رضى الله عنها ـ كَانَ النَّاسُ مَهَنَةَ أَنْفُسِهِمْ، وَكَانُوا إِذَا رَاحُوا إِلَى الْجُمُعَةِ رَاحُوا فِي هَيْئَتِهِمْ فَقِيلَ لَهُمْ لَوِ اغْتَسَلْتُمْ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি ‘আম্রাহ (রহঃ)-কে জুমু‘আর দিনে গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। ‘আম্রাহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন যে, লোকজন নিজেদের কাজকর্ম নিজেরাই করতেন। যখন তারা দুপুরের পরে জুমু‘আর জন্য যেতেন তখন সে অবস্থায়ই চলে যেতেন। তাই তাদের বলা হল, যদি তোমরা গোসল করে নিতে।
সহীহ বুখারী হাদিস ৯০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার গোসলের বাস্তব কারণ খুব সহজভাবে এসেছে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, সে সময় লোকজন নিজেদের কাজ নিজেরাই করতেন। কাজ করার কারণে শরীরের অবস্থা যেমন থাকত, তারা দুপুরের পরে সেই অবস্থাতেই জুমার জন্য চলে যেতেন। তাই তাদের বলা হলো, যদি তোমরা গোসল করে নিতে। এখানে কোনো বড় আলোচনা নেই; বরং দৈনন্দিন জীবনের একটি পরিষ্কার শিক্ষা আছে। কাজের পর শরীর ক্লান্ত, ঘামে ভেজা বা ধুলো-মলিন হতে পারে। এমন অবস্থায় জুমার সালাতে গেলে নিজেরও অস্বস্তি হতে পারে, অন্যরাও কষ্ট পেতে পারে। তাই জুমার দিন গোসল, পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা—এসবকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাজের পর জুমায় যাওয়ার আগে গোসল করা পরিচ্ছন্নতার ভালো উপায়।
- মসজিদে যাওয়ার সময় নিজের অবস্থার দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
- জুমার প্রস্তুতি শুধু সময়মতো যাওয়া নয়, পরিষ্কার থাকাও এর অংশ।
- মানুষের কষ্ট কমাতে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা গুরুত্বপূর্ণ।
