৮/৫. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১০৫৬ - দুই স্ত্রীর মাঝে পক্ষপাতের সতর্কতা
স্ত্রীদের হক বণ্টন - স্ত্রীদের মাঝে পরিমানমত ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখা আবশ্যক
দুই স্ত্রীর মাঝে পক্ষপাত: কিয়ামতের দিনের কঠিন সতর্কতা
বুলুগুল মারাম : ১০৫৬
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১০৫৬
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنْ النَّبِيِّ - ﷺ - قَالَ: «مَنْ كَانَتْ لَهُ امْرَأَتَانِ, فَمَالَ إِلَى إِحْدَاهُمَا, جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّهُ مَائِلٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ, وَسَنَدُهُ صَحِيحٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন – যার দুজন স্ত্রী আছে, আর সে তাদের একজনের চেয়ে অপরজনের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ে, সে কেয়ামতের দিন একদিকে বক্রভাবে ঝুঁকে থাকা অবস্থায় উপস্থিত হবে। এর সানাদ সহীহ্। [১১৫৫]
[১১৫৫] আবূ দাউদ ২১৩৩, তিরমিযী ১১৪১, নাসায়ী ৩৯৪২, ইবনু মাজাহ ১৯৬৯, আহমাদ ৮৩৬৩, ৯৭৪০, দারিমী ২২০৬।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১০৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দুই স্ত্রীর মাঝে পক্ষপাত নিয়ে কঠিন সতর্কতা এসেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যার দু’জন স্ত্রী আছে এবং সে একজনের দিকে অন্যজনের চেয়ে বেশি ঝুঁকে পড়ে, সে কিয়ামতের দিন একদিকে বক্রভাবে ঝুঁকে থাকা অবস্থায় উপস্থিত হবে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে ন্যায় রাখা খুব গুরুতর দায়িত্ব। বাহ্যিক আচরণ, সময় ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে অন্যায় ঝোঁক রাখা ঠিক নয়। হাদিসটি মানুষের সামনে নয়, কিয়ামতের দিনের জবাবদিহির কথা মনে করায়। তাই পারিবারিক জীবনে পক্ষপাত, অবহেলা ও অন্যায় থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুই স্ত্রীর মাঝে অন্যায় পক্ষপাত করা গুরুতর বিষয়।
- পারিবারিক ন্যায়ের বিষয়ে কিয়ামতের জবাবদিহি আছে।
- একজনকে বেশি সুবিধা দিয়ে অন্যজনকে অবহেলা করা উচিত নয়।
