১/৫. অধ্যায়ঃ

বুলুগুল মারাম হাদিস ৬০ - বুদ্ধি নয়, নববী আমলে মুজার উপরিভাগে মাসাহ

মোজার উপর মাসাহ - মোজার উপর মাসাহ করার পরিমাণ

মোজার উপরিভাগে মাসাহ: নিজের মতের আগে নববী আমল

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬০

وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: لَوْ كَانَ الدِّينُ بِالرَّأْيِ لَكَانَ أَسْفَلُ الْخُفِّ أَوْلَى بِالْمَسْحِ مِنْ أَعْلَاهُ, وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ - ﷺ - يَمْسَحُ عَلَى ظَاهِرِ خُفَّيْهِ. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ بِإِسْنَادٍ حَسَنٍ

আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

‘দ্বীন যদি কিয়াস বা বুদ্ধির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হতো তবে মাসাহ করার ক্ষেত্রে মোজার উপরি ভাগে মাসহ করার চেয়ে নিচের দিক মাসাহ করাই উত্তম (গণ্য) হত অবশ্যই নবী (ﷺ) -কে আমি মোজার উপরিভাগে মাসহ করতে দেখেছি। –আবূ দাঊদ এটিকে হাসান সানাদে বর্ণনা করেছেন। [৭৬]

[৭৬] সহীহ্ আবূ দাঊদ (১৬২)

বুলুগুল মারাম হাদিস ৬০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু গভীর একটি শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দ্বীন যদি কিয়াস বা ব্যক্তিগত বুদ্ধির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হতো, তবে মুজার উপরিভাগের চেয়ে নিচের অংশে মাসাহ করাই বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হতো। কিন্তু তিনি নিজে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মুজার উপরিভাগে মাসাহ করতে দেখেছেন। তাই আমল হবে দেখা ও বর্ণিত সুন্নাহ অনুযায়ী, শুধু নিজের ধারণা অনুযায়ী নয়। “মোজার উপরিভাগে মাসাহ” বিষয়ে এই হাদিস খুব স্পষ্ট। এখানে ধর্মীয় নিয়ম বোঝার একটি সুন্দর পদ্ধতি আছে: যুক্তি কাজে লাগবে, কিন্তু নবীজির আমল সামনে এলে সেটিই আগে মানতে হবে। হাদিসটি আবূ দাউদ হাসান সানাদে বর্ণনা করেছেন বলে অনুবাদে উল্লেখ আছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দ্বীনের আমলে ব্যক্তিগত মতের আগে নবীজির আমল অনুসরণ করতে হয়।
  • মুজার উপরিভাগে মাসাহের স্পষ্ট বর্ণনা এসেছে।
  • যা যুক্তিতে বেশি মনে হয়, সেটিই সবসময় সুন্নাহ নয়।
  • হাদিসের সনদের মান উল্লেখ করে আলোচনা করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন