১/৫. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬২ - মুসাফির ও মুকিমের মাসাহের সময়
মোজার উপর মাসাহ - মাসাহ-এর সময়-সীমা। সেটা ছোট নাপাকীর সাথে নির্দিষ্ট
মোজার উপর মাসাহের সময়সীমা: মুসাফির ও মুকিমের বিধান
বুলুগুল মারাম : ৬২
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬২
وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: جَعَلَ النَّبِيُّ - ﷺ - ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيَالِيَهُنَّ لِلْمُسَافِرِ, وَيَوْمًا وَلَيْلَةً لِلْمُقِيمِ. يَعْنِي: فِي الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) মুসাফির ব্যক্তির পক্ষে তিন দিন তিন রাত ও মুকিম ব্যক্তির পক্ষে এক দিন এক রাত নির্ধারণ করেছেন। অর্থাৎ মোজার উপর মাসাহ করার সময়কাল। [৭৮]
[৭৮] মুসলিম (২৭৬) শুরাইহ বিন হানীর সূত্রে। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ) কে মোজার উপর মাসাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এলাম। তিনি বললেন, তুমি ইবনু আবী তালিবকে বল কেননা সে আল্লাহর রাসূলের সাথে সফর করতো। অতঃপর আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তার উত্তরে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। তাতে (আরবী) ব্যতীত বর্ণনা করেন।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মোজার উপর মাসাহ করার সময়সীমা পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসাফির ব্যক্তির জন্য তিন দিন তিন রাত এবং মুকিম ব্যক্তির জন্য এক দিন এক রাত সময় নির্ধারণ করেছেন। অর্থাৎ যারা সফরে আছে তাদের জন্য সময় বেশি, আর যারা নিজ এলাকায় আছে তাদের জন্য সময় কম। এখানে ইসলামি বিধানের একটি সহজ দিক দেখা যায়। একই কাজ হলেও অবস্থার কারণে সময়সীমা আলাদা হয়েছে। তবে হাদিসটি শুধু মোজার উপর মাসাহের সময় নিয়ে কথা বলেছে; এর বাইরে অন্য শর্ত বা নতুন বিধান এখানে যোগ করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসাফিরের জন্য মোজার উপর মাসাহের সময় তিন দিন তিন রাত।
- মুকিমের জন্য মোজার উপর মাসাহের সময় এক দিন এক রাত।
- সফর অবস্থার কারণে ইবাদতের কিছু বিধানে সহজতা আসে।
- সময়সীমা মানা মাসাহের বিধান বোঝার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
