৩/২. অধ্যায়ঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক।
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৫৫৬, আহমান শাকির (রহঃ) বলেন (হা/২২৮০০, ২২৮০৬) : সানাদ সহীহ।
নবী (ﷺ) বলেছেন : পবিত্রতা ছাড়া সালাত কবুল হয় না।
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৫৫৭
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন : পবিত্রতা (উযূ) হলো সালাতের চাবি।
হাসান সহীহ : তিরমিযী হা/৩, শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন : হাসান সহীহ।
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি এভাবে (উত্তমরূপে) ওজু করে, তার পূর্বেকার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। ফলে তার সালাত ও মসজিদে যাওয়া অতিরিক্ত আমল বলে গণ্য হয়।
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৫৬৬
তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)- কে বলতে শুনেছি : কিয়ামতের দিন আমার উম্মতকে এমন অবস্থায় আহবান করা হবে যে, পূর্ণাঙ্গরূপে ওজু করার কারণে তাদের হাত-পা ও মুখমণ্ডল উজ্জ্বল থাকবে। কাজেই তোমরা যারা সক্ষম তারা অধিক উজ্জ্বলতাসহ উঠতে চেষ্টা করো।
হাদীস সহীহ : সহীহুল বুখারী হা/১৩৩
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন : আমার উম্মত (কিয়ামতের দিন) আমার নিকট উপস্থিত হবে। আর আমি লোকদেরকে তা (হাওয) থেকে এমনভাবে বিতাড়িত করবো, যেভাবে কোন ব্যক্তি তার উটের পাল থেকে অন্যের উটকে বিতাড়িত করে থাকে। লোকেরা বললো, যে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আমাদেরকে চিনতে পারবেন?জবাবে তিনি (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। তোমাদের এক নিদর্শন হবে যা অন্য কারো হবে না। ওজুর প্রভাবে তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত-পায়ের উজ্জ্বলতা ছড়িয়ে পড়বে। উজ্জ্বল জ্যোতি বিচ্ছুরিত অবস্থায় তোমরা আমার নিকট উপস্থিত হবে। আর তোমাদের একদল লোককে জোড় করে আমার থেকে ফিরিয়ে দেয়া হবে। ফলে তারা আমার কাছে পৌঁছতে পারবে না। তখন আমি বলবো, হে আমার রব! এরা তো আমার লোক। জবাবে ফেরেশতারা আমাকে বলবে, আপনি জানেন না আপনার অবর্তমানে তারা কি কি নতুন কাজ (বিদ’আত) করেছে।
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৬০৫
৩/৩. অধ্যায়ঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন : কোন মুসলিম বান্দা ওজুর সময় যখন মুখমণ্ডল ধুয়ে ফেলে তখন তার চোখ দিয়ে অর্জিত গুনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায়। যখন সে দুই হাত ধৌত করে তখন তার দুই হাতের স্পর্শের মাধ্যমে সব গুনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায়। অতঃপর যখন সে তার পা দু’খানা ধৌত করে তখন তার দুই পা দিয়ে হাঁটার মাধ্যমে অর্জিত সব গুনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে ঝরে যায়, এভাবে সে যাবতীয় গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে যায়।
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৬০০
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন : ওজু করার সময় কেউ যদি উত্তমরূপে ওজু করে তাহলে তার শরীরের সমস্ত গুনাহ ঝরে যায়। এমনকি তার নখের নীচের গুনাহও বের হয়ে যায়।
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৬০১
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন : আমি কি তোমাদেরকে এমন কাজের কথা জানাবো না, যা করলে আল্লাহ্ (বান্দার) গুনাহ্ ক্ষমা করেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল আপনি বলুন। তিনি (ﷺ) বললেন : কষ্টকর অবস্থায় থেকেও পূর্ণাঙ্গরূপে উযূ করা, সালাতের জন্য বারবার মসজিদে যাওয়া এবং এক সালাতের পর আরেক সালাতের জন্য অপেক্ষায় থাকা। আর এ কাজগুলোই হলো প্রস্তুতি (রিবাত)।
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৬১০
৩/৪. অধ্যায়ঃ
তিনি বলেন একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) পূর্ণাঙ্গরূপে উযূ করার পর বললেন। যে ব্যক্তি আমার ও উযূর ন্যায় উযূ করার পর একাগ্রচিত্তে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করবে এবং এ সময় অন্য কোন ধারণা তার অন্তরে উদয় হবে না। তাহলে তার পূর্বেকার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।
হাদীস সহীহ : সহীহুল বুখারী হা/১৫৫