১০/২. অধ্যায়ঃ
হাদীস সম্ভার হাদিস ১১৫৫ - হজ্জ অধ্যায়
রমযানে উমরাহ করার মাহাত্ম্য
হাদীস সম্ভার : ১১৫৫
হাদীস সম্ভারহাদিস নম্বর ১১৫৫
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ لاِمْرَأَةٍ مِنَ الأَنْصَارِ يُقَالُ لَهَا أُمُّ سِنَانٍ مَا مَنَعَكِ أَنْ تَكُونِى حَجَجْتِ مَعَنَا قَالَتْ نَاضِحَانِ كَانَا لأَبِى فُلاَنٍ زَوْجِهَا حَجَّ هُوَ وَابْنُهُ عَلَى أَحَدِهِمَا وَكَانَ الآخَرُ يَسْقِى عَلَيْهِ غُلاَمُنَا قَالَ فَعُمْرَةٌ فِى رَمَضَانَ تَقْضِى حَجَّةً أَوْ حَجَّةً مَعِى
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) আনসার গোত্রের উম্মে সিনান নাম্নী এক মহিলাকে বললেন, “আমাদের সাথে হজ করতে তোমাকে কে বাধা দিল?” মহিলাটি বলল, ‘অমুকের বাপের (স্বামীর) মাত্র দুটি সেচনকারী উট ছিল; তার মধ্যে একটি নিয়ে ওরা বাপ-বেটায় হজে গিয়েছিল। আর অপরটি দিয়ে আমাদের এক খেজুর বাগান সেচতে হচ্ছিল। (তাই আমার সওয়ার হয়ে যাওয়ার মত আর উট ছিল না।) তিনি বললেন, “তাহলে রমজানে একটি উমরাহ একটি হজের অথবা আমার সাথে একটি হজ করার সমান সওয়াব রয়েছে। (অতএব তা তুমি করে ফেল।)”
(বুখারী ১৮৬৩, মুসলিম ৩০৯৭-৩০৯৮)
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী, রাণীবাজার, (মাদরাসা মার্কেটের সামনে), রাজশাহী
