৫/১৭৩. অধ্যায়ঃ

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩২৮ - রমজানে সাওম ও রাতের ইবাদতের শিক্ষা

রমাযান মাসের কিয়ামুল লাইল (তারাবীহ সালাত)

রমজানে সাওম ও রাতের ইবাদতের মাধ্যমে পাপমুক্তির আশা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৩২৮

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيِّ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ شَيْبَانَ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَالْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ الْحُدَّانِيُّ، كِلاَهُمَا عَنِ النَّضْرِ بْنِ شَيْبَانَ، قَالَ لَقِيتُ أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَقُلْتُ حَدِّثْنِي بِحَدِيثٍ، سَمِعْتَهُ مِنْ، أَبِيكَ يَذْكُرُهُ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ذَكَرَ شَهْرَ رَمَضَانَ فَقَالَ ‏ "‏ شَهْرٌ كَتَبَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ صِيَامَهُ وَسَنَنْتُ لَكُمْ قِيَامَهُ فَمَنْ صَامَهُ وَقَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا خَرَجَ مِنْ ذُنُوبِهِ كَيَوْمَ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ ‏"‏ ‏.‏

আবূ সালামাহ্ ইবনু 'আবদুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি আবূ সালামাহ বিন আবদুর রহমান-এর সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আপনি আপনার পিতাকে রমাদান মাস সম্পর্কে যে হাদীস বলতে শুনেছেন তা আমার নিকট বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, হাঁ, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমাদান মাস সম্পর্কে উল্লেখ করে বলেন, এমন একটি মাস, আল্লাহ তোমাদের উপর তার সাওম ফরজ করেছেন এবং আমি তোমাদের উপর এর দণ্ডায়মান হওয়া (রাত জেগে ইবাদত করা) সুন্নাত করেছি। অতএব যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে নেকীর আশায় এ মাসে সাওম রাখে ও (রাতে ইবাদতে) দণ্ডায়মান হয় সে তার জন্মদিনের মত পাপমুক্ত হয়ে যায়।

[১৩২৮] নাসায়ী ২২০৮, ২২১০। তাহক্বীক্ব আলবানী: "দন্ডায়মান হওয়া সুন্নাত করেছি" এ পর্যন্ত যঈফ। বাকী অংশ সহীহ। তাখরীজ আলবানী: তালীকুর রগীব ৭৩।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩২৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রমজান মাস সম্পর্কে বলেছেন, আল্লাহ তোমাদের উপর তার সাওম ফরজ করেছেন এবং তিনি এর রাতে দাঁড়ানোকে সুন্নত করেছেন। এরপর বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং নেকীর আশায় এ মাসে সাওম রাখে ও রাতে ইবাদতে দাঁড়ায়, সে তার জন্মদিনের মত পাপমুক্ত হয়ে যায়। এই বর্ণনায় রমজানের সাওম ও কিয়ামুল লাইলের সম্পর্ক স্পষ্ট। এখানে শুধু আমল নয়, আমলের উদ্দেশ্যও বলা হয়েছে—ঈমান এবং সাওয়াবের আশা। তাই রমজানের ইবাদতকে প্রাণবন্ত করতে হলে নিয়ত পরিষ্কার রাখা জরুরি। এই হাদিস রোজা, তারাবীহ, কিয়ামুল লাইল এবং ক্ষমার আশা—সবগুলোকে এক জায়গায় এনে দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রমজানের সাওম ফরজ হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
  • রমজানের রাতে দাঁড়িয়ে ইবাদত করার শিক্ষা এসেছে।
  • ইবাদত ঈমান ও নেকীর আশায় হওয়া দরকার।
  • এই আমল পাপমুক্তির কারণ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন