৫/১৭৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৪০ - সুকণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াতের মর্যাদা
সুমধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করা।
সুকণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত: আল্লাহর কাছে প্রিয় আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৩৪০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৩৪০
حَدَّثَنَا رَاشِدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ رَاشِدٍ الرَّمْلِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ مَيْسَرَةَ، مَوْلَى فَضَالَةَ عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لَلَّهُ أَشَدُّ أَذَنًا إِلَى الرَّجُلِ الْحَسَنِ الصَّوْتِ بِالْقُرْآنِ يَجْهَرُ بِهِ مِنْ صَاحِبِ الْقَيْنَةِ إِلَى قَيْنَتِهِ " .
ফাযালাহ্ ইবনু 'উবায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন গায়িকা তার গানের প্রতি যতটা একাগ্র থাকে, আল্লাহ তা'আলা সুকণ্ঠে ও সশব্দে কোরআন তিলাওয়াতকারীর তিলাওয়াত তার চেয়ে অধিক কান লাগিয়ে শোনেন।
[১৩৪০] আহমাদ ২৩৪২৯, ২৭৭২৬। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: জামি সগীর ৪৬৩০ যঈফ, যঈফা ২৯৩১ যঈফ, তালীকুর রগীব ২১৫।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সুকণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াতের মর্যাদা খুব সুন্দরভাবে বোঝানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, একজন গায়িকা যেমন নিজের গানের দিকে মন দিয়ে থাকে, আল্লাহ তা’আলা সুকণ্ঠে ও সশব্দে কুরআন তিলাওয়াতকারীর তিলাওয়াত তার চেয়েও বেশি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, কুরআন তিলাওয়াত শুধু মুখে পড়ার বিষয় নয়; সুন্দর আওয়াজ, মনোযোগ এবং আন্তরিকতা এর সৌন্দর্য বাড়ায়। তবে হাদিসে গানের বিধান নিয়ে আলাদা আলোচনা করা হয়নি, তাই এখানে মূল কথা কুরআনের তিলাওয়াতের ফজিলত। যে ব্যক্তি ভালো কণ্ঠে কুরআন পড়ে, তার উচিত আল্লাহর কালামের আদব রেখে তিলাওয়াত করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করা প্রশংসনীয় আমল।
- কুরআন তিলাওয়াতে মনোযোগ ও আন্তরিকতা থাকা দরকার।
- সশব্দে তিলাওয়াত করলে তা যেন কুরআনের আদবের সাথে হয়।
