৫/১৯২. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৯৩ - তওবা কবুলে সিজদায়ে শোকর
কৃতজ্ঞতাসূচক সালাত ও সাজদাহ
তওবা কবুলের পর সিজদায়ে শোকর: ক্ষমার জন্য কৃতজ্ঞতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৩৯৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৩৯৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ لَمَّا تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ خَرَّ سَاجِدًا .
কা’ব বিন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ যখন তাঁর তাওবা কবুল করেন তখন, তিনি (কৃতজ্ঞতার) সিজদায় লুটিয়ে পড়েন।
[১৩৯৩] আহমাদ ১৫৩৫৪ তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াহ ৪৭৭, সহীহ আবী দাউদ ২৪৭৯।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, আল্লাহ যখন তাঁর তওবা কবুল করেন, তখন তিনি কৃতজ্ঞতার সিজদায় লুটিয়ে পড়েন। বর্ণনাটি ছোট হলেও এতে তওবা ও শুকরিয়ার সুন্দর সম্পর্ক দেখা যায়। গুনাহের পর বান্দা আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, আর আল্লাহ তওবা কবুল করলে সেই অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। এখানে কোনো অতিরিক্ত নিয়ম বা দীর্ঘ বর্ণনা নেই। তাই মূল কথা হলো, তওবা কবুল হওয়া বান্দার জন্য বড় নেয়ামত, আর সে নেয়ামতের জবাব বিনয় ও সিজদার মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। সিজদায়ে শোকরকে এ হাদিসে কৃতজ্ঞতার প্রকাশ হিসেবে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তওবা কবুল হওয়া আল্লাহর বড় অনুগ্রহ।
- ক্ষমা পেলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।
- সিজদা বান্দার বিনয় ও শুকরিয়ার প্রকাশ হতে পারে।
