৬/২৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৫০৬ - পাঁচ তাকবিরের আরেক বর্ণনা
যে ব্যক্তি জানাযার সলাতে পাঁচ তাকবীর বলে।
জানাজার পাঁচ তাকবির: সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় নবীজির আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৫০৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৫০৬
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيٍّ الرَّافِعِيُّ عَنْ كَثِيرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ ﷺ كَبَّرَ خَمْسًا
আমর বিন আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পাঁচ তাকবির বলেছেন।
[১৫০৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ্। উক্ত হাদিসের রাবী ইবরাহীম বিন আলী আর-রাফিঈ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। ইমাম বুখারী বলেন, তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। আস-সাজী তাকে মুনকার বলেছেন। ইবনু হিব্বান তাকে দুর্বল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।২. কাসীর বিন আবদুল্লাহ সম্পর্কে ইমাম শাফিঈ বলেন, তিনি মিথ্যুকদের একজন অথবা তিনি মিথ্যার একটি রুকন। আহমাদ বিন হাম্বল তাকে মুনকার বলেছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি দুর্বল। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি মিথ্যুকদের একজন। উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৫০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব ছোট। এতে বলা হয়েছে, নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) পাঁচ তাকবির বলেছেন। এখানে কোনো নির্দিষ্ট জানাজার নাম, সালাতের পুরো পদ্ধতি বা দোয়ার শব্দ উল্লেখ নেই। তাই এর ব্যাখ্যা করার সময় হাদিসের সীমা মানা জরুরি। মূল কথা হলো, জানাজার সালাতে পাঁচ তাকবিরের বর্ণনাও এসেছে। আগের কয়েকটি হাদিসে চার তাকবিরের কথা এসেছে, আর এই বর্ণনায় পাঁচ তাকবিরের কথা বলা হয়েছে। তাই জানাজার তাকবির নিয়ে আলোচনা করলে এই হাদিসকে “পাঁচ তাকবির” সম্পর্কিত বর্ণনা হিসেবে দেখা যায়। সংক্ষিপ্ত হলেও এটি একটি নির্দিষ্ট তথ্য দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে পাঁচ তাকবিরের কথা সরাসরি এসেছে।
- এতে অতিরিক্ত কোনো পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়নি।
- জানাজার তাকবির নিয়ে আলোচনায় এটি একটি আলাদা বর্ণনা।
- ব্যাখ্যায় শুধু হাদিসে থাকা তথ্যের সীমা রাখা উচিত।
