৬/৫২. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৫৮৫ - মাতমের কাজ থেকে সতর্কতা
শোকে মুখমন্ডল ক্ষতবিক্ষত করা এবং জামা ছেঁড়া নিষেধ
মাতমের কাজ থেকে সতর্কতা: চেহারা ক্ষত ও জামা ছেঁড়া নিষেধ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৫৮৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৫৮৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَابِرٍ الْمُحَارِبِيُّ وَمُحَمَّدُ بْنُ كَرَامَةَ قَالَا حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ عَنْ مَكْحُولٍ وَالْقَاسِمِ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ ﷺ لَعَنَ الْخَامِشَةَ وَجْهَهَا وَالشَّاقَّةَ جَيْبَهَا وَالدَّاعِيَةَ بِالْوَيْلِ وَالثُّبُورِ
আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চেহারা ক্ষতবিক্ষতকারিণী, বক্ষদেশের জামা ছিন্নকারিণী, ধ্বংস ও মৃত্যু কামনাকারিণী ও শোকগাথার আয়োজনকারিণীকে অভিসম্পাত করেছেন।
[১৫৮৩] সহীহাহ ২১৪৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৫৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কয়েকটি শোকজনিত কাজের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছেন। বর্ণনায় এসেছে—চেহারা ক্ষতবিক্ষত করা, বক্ষদেশের জামা ছিন্ন করা, ধ্বংস ও মৃত্যু কামনা করা এবং শোকগাথার আয়োজন করা। এসব কাজ শোককে সীমার বাইরে নিয়ে যায়। মানুষ প্রিয়জন হারালে কষ্ট পায়, কিন্তু এই কষ্টের নামে নিজের শরীর ক্ষত করা, কাপড় ছিঁড়া বা ধ্বংসের কথা বলা ঠিক নয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, শোকের সময় জিহ্বা ও হাত দুটোকেই সামলাতে হয়। যে দুঃখ আল্লাহর ফয়সালার সামনে বিনয়ী করে, সেটি নিরাপদ; কিন্তু যে দুঃখ মানুষকে মাতম, ক্ষতি ও খারাপ কথায় নিয়ে যায়, তা থেকে সাবধান থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চেহারা ক্ষত করা ও জামা ছেঁড়া শোকের সঠিক পথ নয়।
- ধ্বংস ও মৃত্যু কামনার ভাষা থেকে জিহ্বাকে বাঁচাতে হবে।
- শোকগাথা ও মাতমের আয়োজন নিষিদ্ধ কাজের দিকে নিতে পারে।
