৭/৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৫৮ - রমজান ২৯ বা ৩০ দিনের বাস্তবতা
ঊনত্রিশ দিনেও মাস হয়।
রমজানের দিনসংখ্যা: ২৯ ও ৩০ দিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৫৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৫৮
حَدَّثَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ الْمُزَنِيُّ حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ مَا صُمْنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ ﷺ تِسْعًا وَعِشْرِينَ أَكْثَرُ مِمَّا صُمْنَا ثَلَاثِينَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে ত্রিশ দিনের চেয়ে বেশির ভাগ ঊনত্রিশ দিনই (রমাদানের রোজা) রেখেছি।
[১৬৫৮] সহীহ আবী দাউদ ২০১১। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরায়রা রা. থেকে রমজানের দিনের সংখ্যা নিয়ে একটি বাস্তব বর্ণনা এসেছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর যুগে তাঁরা ঊনত্রিশ দিনের চেয়ে বেশি ত্রিশ দিনের রমজানের রোজা রেখেছেন। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রমজান কখনও ২৯ দিনে শেষ হতে পারে, আবার কখনও ৩০ দিন পূর্ণ হতে পারে। সাহাবীদের অভিজ্ঞতায় ৩০ দিনের রমজানও বেশি ঘটেছে বলে বর্ণনা এসেছে। তাই রমজানের দিনসংখ্যা নিয়ে অস্থিরতা নয়, চাঁদ দেখা এবং মাস পূর্ণ করার নিয়ম মানাই মূল কথা। এই হাদিস রোজার মাসের বাস্তবতা, চাঁদের হিসাব এবং সাহাবীদের যুগের অভিজ্ঞতা একসাথে সামনে আনে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজান ২৯ বা ৩০ দিন—দুই অবস্থাই হতে পারে।
- সাহাবীদের যুগে ৩০ দিনের রমজানের অভিজ্ঞতা বেশি ছিল বলে বর্ণনা এসেছে।
- দিনসংখ্যা নিয়ে নয়, নববী নিয়ম মানার দিকে মনোযোগ দরকার।
