৭/১৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৮০ - রক্তমোক্ষণে সিয়ামের বিধান
রোযাদারের রক্তমোক্ষণ করানো
রক্তমোক্ষণ ও রোযা: সিয়াম ভঙ্গের সতর্ক বার্তা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৮০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৮০
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ أَنْبَأَنَا شَيْبَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ حَدَّثَنِي أَبُو قِلَابَةَ أَنَّ أَبَا أَسْمَاءَ حَدَّثَهُ عَنْ ثَوْبَانَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ».
সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ রক্তমোক্ষণকারী ও যার রক্তমোক্ষণ করা হয়েছে তারা উভয়ে সিয়াম ভঙ্গ করেছে।
[১৬৮০] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইরওয়াহ ৯৩১, সহীহ আবী দাউদ ২০৪৯, ২০৫২-২০৫৩। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সিয়াম অবস্থায় রক্তমোক্ষণ বা হিজামা বিষয়ে সরাসরি একটি কথা এসেছে। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, রক্তমোক্ষণকারী এবং যার রক্তমোক্ষণ করা হয়েছে, তারা উভয়ে সিয়াম ভঙ্গ করেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, রোযা শুধু খাবার-পানীয় থেকে বিরত থাকার নাম নয়; রোযার সময় এমন কাজ থেকেও সতর্ক থাকতে হয়, যা সিয়ামের বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত। হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বার্তা স্পষ্ট। রমজান বা নফল রোযার সময় রক্তমোক্ষণ নিয়ে কেউ সহজভাবে সিদ্ধান্ত না নিয়ে আলেমের কাছে জেনে নেওয়া উচিত। এই হাদিস রোযাদারকে নিজের ইবাদত রক্ষা করার বিষয়ে সচেতন করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোযা অবস্থায় রক্তমোক্ষণ বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- হাদিসে রক্তমোক্ষণকারী ও রক্তমোক্ষণ করানো ব্যক্তি—উভয়ের কথা বলা হয়েছে।
- সিয়ামের বিধান জানা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা উচিত নয়।
- রোযা রক্ষায় শরীর-সম্পর্কিত কাজেও সাবধানতা প্রয়োজন।
