৭/২৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৭০৬ - প্রতিদিন রোজা রাখার বিষয়ে নববী সতর্কতা
সারা বছর সিয়াম রাখা।
প্রতিদিন রোজা রাখা: সিয়ামের সীমা ও ভারসাম্য
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৭০৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৭০৬
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ مِسْعَرٍ وَسُفْيَانَ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ الْمَكِّيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ لَا صَامَ مَنْ صَامَ الْأَبَدَ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সর্বদা সিয়াম রাখে, সে রোজাই রাখেনি।
[১৭০৬] মুসলিম ১১৫৯, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৭০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি সর্বদা রোযা রাখে, সে রোযাই রাখেনি। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা স্পষ্ট। সিয়াম আল্লাহর নৈকট্যের একটি বড় আমল। তবে সব সময় রোজা রাখার পদ্ধতি নিয়ে নবী (صلى الله عليه وسلم) সতর্ক করেছেন। এতে বোঝা যায়, ভালো আমল করতে গিয়েও ভারসাম্য হারানো ঠিক নয়। মানুষ যেন নিজের ওপর এমন চাপ না নেয়, যা নববী নির্দেশনার সঙ্গে মেলে না। এই হাদিস দাউদ (আঃ)-এর সিয়ামের আলোচনার সঙ্গে মিল রেখে বুঝলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়; সেখানে এক দিন সিয়াম ও এক দিন বিরতির কথা এসেছে। তাই রোজা রাখা যেমন ইবাদত, তেমনি রোজার নিয়মে সংযম রাখাও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতিদিন রোজা রাখার বিষয়ে নবী (صلى الله عليه وسلم) সতর্ক করেছেন।
- ভালো আমলেও নববী পদ্ধতি মানা দরকার।
- সিয়াম পালনে ভারসাম্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
