৭/৩৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৭২১ - ঈদের দিনে সিয়াম রাখা নিষেধ
ঈদুল ফিতর ও ইদুল আযহার দিন সিয়াম রাখা নিষেধ।
ঈদের দিনে সিয়াম নিষেধ: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৭২১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৭২১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَعْلَى التَّيْمِيُّ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ قَزَعَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ أَنَّهُ نَهَى عَنْ صَوْمِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الْأَضْحَى
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন সিয়াম রাখতে নিষেধ করেছেন।
[১৭২১] সহীহুল বুখারী ১১৯৭, ১৮৬৪, ১৯৯৬, মুসলিম ৮২৭, তিরমিযী ৭৭২, আবূ দাউদ ২৪১৭, আহমাদ ২৭৯২০, ২৭৯২৪, ১০৯৫৫, ২৭৬৩৬, ১১১১৩, ১১২৩৭, ১১২৪৩, ১১৩২৫, ১১৩৯৫, ১১৫০০, দারেমী ১৭৫৩, ইরওয়াহ ৯৬২, ইরওয়া ৯৬২, সহীহ আবী দাউদ ২০৮৮, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৭২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন সিয়াম রাখতে নিষেধ করেছেন। তাই ঈদের দিনে রোজা রাখা নিয়ে যে প্রশ্ন আসে, তার সরাসরি উত্তর এই বর্ণনায় আছে। ঈদুল ফিতর আসে রমজানের সিয়াম শেষ করার পর। আর ঈদুল আজহা কুরবানির সঙ্গে যুক্ত আনন্দের দিন। হাদিসের ভাষা খুব পরিষ্কার—এই দুই দিনে সিয়াম রাখা নিষেধ। এতে বোঝা যায়, ইসলামে আনন্দের দিনও আছে, যেখানে আল্লাহর নিয়ামত গ্রহণ করা এবং শরিয়তের সীমা মানা দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। সিয়াম একটি বড় ইবাদত, কিন্তু সব দিনে তা করা সঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতরের দিন সিয়াম রাখা নিষেধ।
- ঈদুল আজহার দিনও সিয়াম রাখা নিষেধ।
- ইবাদত করতে হলে নির্ধারিত সময় ও নিয়মের প্রতি খেয়াল রাখতে হয়।
