৮/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৮০৮ - যাকাতে অন্যায় পন্থার সতর্কতা
যাকাত আদায়কারী কর্মচারির আচরণ।
যাকাতে অন্যায় পন্থা: আদায়কারী ও দাতার জন্য কঠোর সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৮০৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৮০৮
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ الْمِصْرِيُّ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ سِنَانٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ الْمُعْتَدِي فِي الصَّدَقَةِ كَمَانِعِهَا
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যাকাত আদায়ে বা প্রদানে অন্যায় পন্থা অবলম্বনকারী যাকাত বারণকারীর সমতুল্য।
[১৮০৮] তিরমিযী ৬৪৬, আবূ দাউদ ১৫৮৫, সহীহ আবী দাউদ ১৪১৩, মিশকাত ১৮০১। তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৮০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যাকাতের ক্ষেত্রে অন্যায় পন্থা অবলম্বনের ভয়াবহতা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যাকাত আদায়ে বা প্রদানে অন্যায় পন্থা অবলম্বনকারী যাকাত বারণকারীর সমতুল্য। অর্থাৎ যাকাতের দায়িত্ব পালনে বাড়াবাড়ি, জুলুম, কৌশল বা অন্যায়—কোনোটিই গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে দাতা ও আদায়কারী—দুই পক্ষই সতর্কতার মধ্যে আসে। কেউ যাকাত কম দিতে অন্যায় করলে সমস্যা, আবার কেউ আদায় করতে গিয়ে সীমা ছাড়ালেও সমস্যা। যাকাত আদায়ের নিয়ম, যাকাতে সীমালঙ্ঘন, যাকাত বারণকারী, যাকাতের ন্যায়নীতি—এসব এই হাদিসের মূল বিষয়। হাদিসটি শেখায়, ফরজ ইবাদত পালনেও ন্যায্য পথ ছাড়লে তা গুরুতর ভুল হয়ে যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যাকাত আদায় বা প্রদানে অন্যায় পন্থা নেওয়া গুরুতর ভুল।
- যাকাতদাতা ও আদায়কারী—দুই পক্ষকেই ন্যায়ের সীমা মানতে হয়।
- ফরজ ইবাদত পালনের সময় কৌশল বা জুলুম থেকে বাঁচতে হবে।
