৯/১২. অধ্যায়ঃ

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৮৭৫ - কুমারী মেয়ের অমত

কেউ নিজের মেয়েকে তার অমতে বিবাহ দিলে।

কুমারী মেয়ের অমতে বিবাহ: রদের এখতিয়ার

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৮৭৫

حَدَّثَنَا أَبُو السَّقْرِ يَحْيَى بْنُ يَزْدَادَ الْعَسْكَرِيُّ حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَرُوذِيُّ حَدَّثَنِي جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ جَارِيَةً بِكْرًا أَتَتْ النَّبِيَّ ﷺ فَذَكَرَتْ لَهُ أَنَّ أَبَاهَا زَوَّجَهَا وَهِيَ كَارِهَةٌ فَخَيَّرَهَا النَّبِيُّ ﷺحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ أَنْبَأَنَا مُعَمَّرُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّقِّيُّ عَنْ زَيْدِ بْنِ حِبَّانَ عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ مِثْلَهُ.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

একটি কুমারী মেয়ে নবী (ﷺ) -এর নিকট এসে তাঁকে জানায় যে, তার পিতা তার অমতে তাকে বিবাহ দিয়েছে। নবী (ﷺ) তাকে (বিবাহ রদের) এখতিয়ার দিলেন। ১৮৭৫ (১). <মুহাম্মাদ ইবনুস সাব্বাহ><মুআম্মার বিন সুলায়মান আর-রাক্কী><যায়দ বিন হিব্বান (তিনি সত্যবাদী কিন্তু হাদীস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন) ><আয়্যূব সাখতিয়ানী><ইকরিমাহ><ইবনু আব্বাস (রাঃ) >

[১৮৭৫] আবূ দাউদ ২০৯৬, আহমাদ ২৪৬৫, বায়হাকী ৭/২০০। রাওদুন নাদীর ৪২২। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ্। উক্ত হাদিসের রাবী যায়দ বিন হিব্বান সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, আমি তার বর্ণনায় কোন সমস্যা দেখি না। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, যারা হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন তিনি তাদের একজন এমনকি তিনি এককভাবে হাদিস বর্ণনা করলে তা দলীল হিসেবে গ্রহনযোগ্যতা থেকে বের হয়ে যায়। আবু নু'আয়ম আল-ফাদল তার হাদিস বর্জন করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, আমরা সকলে তার হাদিস বর্জন করেছি। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২০৯৬, ১০/৪৭ নং পৃষ্ঠা)

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৮৭৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে এক কুমারী মেয়ের কথা এসেছে। সে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে এসে জানায়, তার পিতা তার অমতে তাকে বিবাহ দিয়েছেন। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) তাকে বিবাহ রদের এখতিয়ার দেন। বর্ণনার দ্বিতীয় অংশে একই অর্থে আরেকটি সনদের কথা এসেছে। এখানে মূল বিষয় হলো কুমারী মেয়ের সম্মতি ও অমতের গুরুত্ব। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে বাড়তি ঘটনা যোগ করা উচিত নয়। যে কথাটি সরাসরি বোঝা যায় তা হলো—বিবাহে মেয়ের ইচ্ছা অগ্রাহ্য করা হয়নি। সে অভিযোগ করতে পেরেছে, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) তার কথা শুনেছেন এবং তাকে সিদ্ধান্তের সুযোগ দিয়েছেন। ফলে পরিবারকে বিবাহের আগে মেয়ের মত জানার দিকে যত্নবান হতে হয়। সম্মতি ছাড়া বিবাহের আলোচনা এই বর্ণনার প্রধান শিক্ষা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কুমারী মেয়ে নিজের অমতের কথা নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-কে জানিয়েছে।
  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم) তাকে বিবাহ রদের এখতিয়ার দিয়েছেন।
  • বিবাহের আগে মেয়ের সম্মতি জানা জরুরি।
  • অভিভাবকের সিদ্ধান্ত মেয়ের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করার পথ নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন