৯/২৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৯০৮ - যায়নব (রাঃ)-এর ওলীমার শিক্ষা
ওলীমা (বিবাহ ভোজ) প্রসঙ্গে।
যায়নব (রাঃ)-এর বিবাহ ভোজ: সামর্থ্য অনুযায়ী ওলীমা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৯০৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৯০৮
- حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ أَوْلَمَ عَلَى شَيْءٍ مِنْ نِسَائِهِ مَا أَوْلَمَ عَلَى زَيْنَبَ فَإِنَّهُ ذَبَحَ شَاةً
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর কোন স্ত্রীর বেলায় এমন বিবাহ ভোজের আয়োজন করতে দেখিনি, যেরূপ তিনি যায়নব (রাঃ) -এর বিবাহ ভোজের আয়োজন করেন। তিনি তাতে একটি বকরী যবহ করেছিলেন।
[১৯০৮] সহীহুল বুখারী ৫১৬৮, ৫১৭১, মুসলিম ১৪২৮, আবূ দাউদ ৩৭৪৩, ইরওয়াহ ১৯৪৫, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৯০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস বিন মালিক (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে তাঁর স্ত্রীদের কারও বেলায় এমন বিবাহ ভোজ করতে দেখেননি, যেমন তিনি যায়নব (রাঃ)-এর বিবাহে করেছিলেন। সেখানে তিনি একটি বকরী যবেহ করেছিলেন। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, ওলীমা বাস্তব জীবনের একটি সুন্নাহভিত্তিক সামাজিক আয়োজন। তবে তা এক রকমের হতে হবে এমন নয়। এখানে একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা বলা হয়েছে, যেখানে বকরী যবেহ করে আপ্যায়ন করা হয়। এই বর্ণনা ওলীমাকে সম্মানজনক ও প্রকাশ্য আনন্দের অংশ হিসেবে দেখায়। একই সঙ্গে অন্য বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়, ওলীমা সামর্থ্য অনুযায়ী হতে পারে। তাই বিবাহ ভোজে উদ্দেশ্য হওয়া উচিত কৃতজ্ঞতা, আপ্যায়ন ও সুন্দর সামাজিক বন্ধন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওলীমা বিবাহের আনন্দ প্রকাশের একটি সম্মানজনক আয়োজন।
- সামর্থ্য থাকলে ভালোভাবে আপ্যায়ন করা যায়।
- নবীজির জীবনে বিবাহ ভোজের বাস্তব উদাহরণ রয়েছে।
- ওলীমার লক্ষ্য হওয়া উচিত দোয়া, কৃতজ্ঞতা ও সামাজিক সৌহার্দ্য।
