১১/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২১০৪ - শপথে ইনশাআল্লাহ বলার শিক্ষা
শপথের সাথে ইনশাআল্লাহ যুক্ত করা।
শপথে ইনশাআল্লাহ: আল্লাহর ইচ্ছাকে সামনে রাখা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২১০৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২১০৪
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «مَنْ حَلَفَ فَقَالَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ فَلَهُ ثُنْيَاهُ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি শপথ করলো এবং ইনশাআল্লাহ (যদি আল্লাহ চান) বললো, তার ব্যতিক্রম গ্রহণযোগ্য হবে (তার প্রতি শপথ ভংগের দায় বর্তাবে না)।
[২১০৪] তিরমিযী ১৫৩২, ইরওয়াহ ২৫৭০। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২১০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো শপথের সাথে “ইনশাআল্লাহ” বলা। একজন মানুষ কোনো কাজের শপথ করলেও তার ক্ষমতা সীমিত। কাজ শেষ পর্যন্ত হবে কি না, তা আল্লাহর ইচ্ছার অধীন। তাই শপথে “যদি আল্লাহ চান” বলা মানুষকে বিনয়ী রাখে। হাদিসের ভাষায়, যে ব্যক্তি শপথ করে এবং ইনশাআল্লাহ বলে, তার জন্য শপথের প্রসঙ্গে আলাদা অবকাশের কথা এসেছে। একই ধারার পরের বর্ণনাগুলোতে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে যে ইনশাআল্লাহ যুক্ত করা শপথের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব রাখে। তবে এই হাদিস থেকে মূল শিক্ষা হলো: নিজের ইচ্ছাকে চূড়ান্ত মনে না করে আল্লাহর ইচ্ছাকে আগে রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শপথের সময় ইনশাআল্লাহ বলা আল্লাহর ইচ্ছার স্বীকৃতি।
- মানুষের পরিকল্পনা আল্লাহর ইচ্ছার অধীন।
- শপথ করার সময় ভাষা পরিষ্কার ও সতর্ক হওয়া দরকার।
- নিজের ক্ষমতার উপর অতিরিক্ত ভরসা না করে বিনয় রাখা উচিত।
