২১/১৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৬৫৪ - সব আঙুলের দিয়াত সমান
আঙ্গুলসমূহের দিয়াত
সব আঙুলের দিয়াত সমান: ক্ষতিপূরণে সমতার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৬৫৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৬৫৪
حَدَّثَنَا رَجَاءُ بْنُ الْمُرَجَّى السَّمَرْقَنْدِيُّ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ غَالِبٍ التَّمَّارِ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ مَسْرُوقِ بْنِ أَوْسٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «الأَصَابِعُ سَوَاءٌ».
আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, সব আঙ্গুল (দিয়াত) সমান।
[২৬৫৪] নাসায়ী ৪৮৪৪, ৪৮৪৫, ৪৫৫৬, ১৯০৫৬, দারেমী ২৩৬৯, ইরওয়া ৭/৩১৯। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৬৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, সব আঙুল দিয়াতের ক্ষেত্রে সমান। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত হলেও আঙুলের দিয়াত সম্পর্কে একটি মূল নীতি দেয়। মানুষের দৈনন্দিন কাজে কোনো আঙুল বেশি কাজে লাগে, কোনো আঙুল কম কাজে লাগে—এমন ধারণা থাকতে পারে। কিন্তু হাদিসে দিয়াতের ক্ষেত্রে সব আঙুলকে সমান বলা হয়েছে। তাই আঙুলের ক্ষতির মূল্য নির্ধারণে ব্যক্তিগত মূল্যায়ন নয়, নববী ফয়সালাই মানদণ্ড। এই হাদিস একই বিষয়ে অন্যান্য বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে আঙুলের রক্তপণ সম্পর্কে সহজ ধারণা দেয়। এখানে শুধু আঙুলের সমতার কথা এসেছে; অন্য অঙ্গের বিধান এই বর্ণনায় নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আঙুলের দিয়াতে সমতার নীতি এসেছে।
- দৈনন্দিন ব্যবহারের পার্থক্য দিয়াতের পার্থক্য তৈরি করে না।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সংক্ষিপ্ত কথা থেকেও স্পষ্ট বিধান পাওয়া যায়।
- আঙুলের ক্ষতির বিচার দলিলভিত্তিক হওয়া দরকার।
