২৫/৬৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৩৯ - জামরাতুল আকাবা পর্যন্ত তালবিয়া
হজ্জ আদায়কারী কখন তালবিয়া পাঠ বন্ধ করবে?
জামরাতুল আকাবায় রমি পর্যন্ত তালবিয়া: নবীজির আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩০৩৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩০৩৯
حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ أَبُو بِشْرٍ، حَدَّثَنَا حَمْزَةُ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ ﷺ ـ لَبَّى حَتَّى رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) তালবিয়া পাঠ অব্যাহত রেখেছেন যতক্ষণ না জামরাতুল আকাবায় (কোরবানির দিন) কঙ্কর নিক্ষেপ করেছেন।
[৩০৩৯] নাসায়ী ৩০৫৬, ১৯৮৭, ইরওয়া ৪/২৯৬, রাওদুন নাদীর ৮৩৪, সহীহ আবু দাউদ ১৫৯৩। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে নবী (صلى الله عليه وسلم) তালবিয়া পাঠ অব্যাহত রেখেছেন, যতক্ষণ না তিনি জামরাতুল আকাবায় কুরবানির দিন কংকর নিক্ষেপ করেছেন। হাদিসটি তালবিয়া পাঠের সময়সীমা নিয়ে খুব সরাসরি বর্ণনা। “তালবিয়া কখন বন্ধ করতে হয়”, “জামরাতুল আকাবা পর্যন্ত তালবিয়া”, “হজ্জে তালবিয়া পাঠ” এবং “কুরবানির দিন রমি” — এই বিষয়গুলো খুঁজলে এই হাদিস খুব প্রাসঙ্গিক। এখানে কোনো দীর্ঘ আলোচনা নেই; শুধু নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল বলা হয়েছে। তাই এর শিক্ষা হলো, হজ্জের তালবিয়া ও রমির সম্পর্ক বুঝতে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাজের দিকে তাকানো দরকার। তিনি জামরাতুল আকাবায় কংকর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত তালবিয়া চালিয়ে গেছেন—এটাই এই হাদিসের মূল কথা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) জামরাতুল আকাবায় রমি করা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করেছেন।
- হাদিসে তালবিয়া বন্ধের সময় সম্পর্কে সরাসরি আমল এসেছে।
- হজ্জের তালবিয়া ও কুরবানির দিনের রমির মধ্যে সম্পর্ক এই বর্ণনায় বোঝা যায়।
